মুহাম্মদ তৈয়্যবুল ইসলাম-রাঙ্গুনিয়া
গাউছিয়া সমিতি ও যুব সমিতি বাংলাদেশ রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শাখা ও পােমরা শাখার যৌথ আয়োজনে নবম তম পবিত্র জশনে জুলুসে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন উপলক্ষে র্যালী শেষে সমাবেশে আলহাজ্ব সৈয়দ মছিহুদ্দৌলার (মা.জি. আ.) প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন-বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর দেরিতে হলেও বর্তমান সরকার বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শুভ আবির্ভাব রাষ্ট্রীয় ভাবে পালনের ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশের সুন্নি জনতাকে কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করেছেন। এ-দেশের সুন্নি জনতার প্রাণের দাবীর প্রতিফলন এটি। তিনি আরো বলেন এ-সরকার কতৃক ঘোষিত এই প্রজ্ঞাপন কোন ষড়যন্ত্রকারী বা কোন নবী বিদ্বেষীদের কালো থাবায় নস্যাৎ যেন করতে না পারে সকল নবী প্রেমিক আলেম-ওলামা পীর-মাশায়েখ হাক্কানী দরবারের সাজ্জাদানশীন ও সর্বোচ্চ রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানান। সমাবেশে তিনি আরো সরকারের এই সদিচ্ছা ও মহতি কাজের ভূয়াসী প্রশংসা করেন।
সোমবার(১১অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার শান্তিরহাট বুড়ির দোকান থেকে সৈয়দ বাড়ি দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, আহলে সুন্নত ওয়াল জামায়াত কেন্দ্রিয় পরিষদের মহাসচিব ও গাউছিয়া সমিতি বাংলাদেশের কেন্দ্রিয় চেয়ারম্যান আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা (মা.জি.আ.) নেতৃত্বে পবিত্র জশনে জুলুস ঈদে মিলাদুন্নবী(দঃ)র র্যালী চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের শান্তিরহাট, গোচরা, জুটমিল, ভবানী মিল, ও গোডাউন স্টেশন প্রদক্ষিণ শেষে পোমরা বঙ্গবন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় গেইটের সামনে শেষ হয়। কালেমা কুচিত ব্যানার ও পতাকা হাতে মুখে নবীর শানে দরূদ ও নারায়ে তাকবির-আল্লাহু আকবার, নারায়ে রিসালাত-ইয়া রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে কাপ্তাই সকড় সহ আশেপাশের এলাকা। এ-র্যালীতে প্রায় দুই শতাধিক মোটরসাইকেল, পিকাপ ভ্যান, ট্রাক, সিএনসি ও অটোরিকশাসহ পায়ে হেঁটে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ সুন্নী মুসলমানরা অংশ নিয়েছে।
র্যালী শেষে পোমরা বঙ্গবন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশ পোমরা বঙ্গবন্ধু সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জহির আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান বক্তা ছিলেন গাউছিয়া যুব সমিতি কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান আল্লামা সৈয়দ তৌছিফুল হুদা (মা.জি.আ.)।
গাউছিয়া সমিতির কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আলী শাহ নেছারীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন উপজেলা গাউছিয়া সমিতির সভাপতি ও জুলুস প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক জাহেদুল আলম চৌধুরী আইয়ুব, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবদুল মাবুদ, মাওলানা জরিফ আলী আরমান, মাওলানা নাছির উদ্দিন আলকাদেরী, হাবিবুর রহমান আলকাদেরী, মাওলানা আবদুল মান্নান হারুনী, মাওলানা ফজলুল করিম নঈমী, মাওলানা ইয়াকুব আলী, অধ্যাপক সাইফুল করিম মাসুদ,উপজেকার সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আকতার হোসেন, যুবনেতা এইচ এম শহিদুল্লাহ, মাস্টার মুহাম্মদ ইসমাইল, দিদারুল ইসলাম, দিদারুল আলম, মনিরুল ইসলাম, এম এ খালেক শাবু, মাওলানা শওকত আলী, ফারুক শাহ, জাহাঙ্গীর আলম, সাইফুল ইসলাম, নুরুল আমিন কেরানী, আবুল ফয়েজ মেম্বার, আলমগীর তালুকদার রনি, আবু আহমেদ, আবদুল হামিদ প্রমুখ।
সমাবেশে মিলাদ কিয়াম শেষে দেশ ও জাতীর কল্যাণ কামনা করে এবং বাংলাদেশের জনগণের ও রাষ্ট্রের সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করেন আল্লামা সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা (মা.জি.আ.)।