করোনা ভাইরাসের কারনে দিনমজুর,শ্রমিক পরিবারের কাছে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-ত্রান-ও দূর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরীর পক্ষ হতে রানীরহাট কলোনীতে গরীব অসহায় পরিবারকে ত্রান-সামগ্রী বিতরন করেন,উপস্থিত ছিলেন রোমান চৌধুরী,চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগ নেতা গিয়াছ ও জোবাইরুল ইসলাম চৌধুরী,অারও উপস্থিত ছিলেন বদিউল অালম তালুকদার সহ সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতা ও কর্মীবৃন্দ।
পীর মুরিদের পক্ষে আহলে হাদিস শায়খ নাসিরউদ্দিন আলবানীর সহিহ দলিল
হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহীম, রাঙ্গুনিয়া।
পীর,মুরীদ,বায়াত,খিলাফাত,ওরছ,দরগাহ,মাযার,ফানাফিল্লাহ ও বাকাবিল্লাহ এর আসল অর্থ কি তার ব্যাখ্যা এর পক্ষে ইবনে তাইমিয়া ও নাসীরউদ্দীন আলবানীর রায় ও সহমত এবং কুরআন ও সহিহ হাদীসের নাম্বার সহ দলীল সৌদী ও মিশর মাকতাবাতে শামেলায় দেখুন আল্লাহকে ভয় করে যাচাই করুন।বায়আত ও খিলাফত এর দলীল দেখুন|আলী(রঃ)বল
েন, রছূল(সঃ)আবু বকর(রঃ)কে আমাদের দ্বীনের জন্য পছন্দ করেছেন,সুতরাং আমরা তাঁকে আমাদের দুনিয়ার জন্য কেন পছন্দ করবো না!=ইবনে সাদ এর আত তবাকাতুল কুবরাঃ৩/১৮৩, দারু সাদির বৈরুত|
রছূল(সঃ)বলেন আমি আবু বকর ও উমর ফারুক(রঃ)কে অগ্রবর্তী করিনি আল্লাহ তা’আলাই তাদের উভয়কে অগ্রবর্তী করেছেন|=আলী মুত্তাকী হিন্দীর কানযুল উম্মাল ফী সুনানিল আকওয়াল ওয়া আফ’আল,১১/৫৭২,হাঃনং৩২৭০৬|ই
বনে হাজর মক্কীর আস সাওয়ায়িকুল মুহরাকাঃপৃঃ২১৮|
খিলাফতে আম্মাহ শুদ্ধ হওয়ার পর খলিফার মতো আচরণ করা এবং সবার ঐক্যমতে খলিফা নির্বাচিত হওয়া গ্রহণযোগ্যতা লাভ করবে এবং তা যথেষ্ট হবে|কারণ উরফের(লৌকিক প্রথার)ভিত্তিতে প্রমাণিত বিষয় নামদ্বারা প্রমাণিত হওয়ার অনুরূপ|
মুসলমানগণ যা ভাল মনে করবে,তা আল্লাহ তা’আলার কাছেও ভাল|=হাকিম এর মুস্তাদরকঃ৩/৭৮|
যার কোন ইমাম=মুরশিদ=শায়খ=পীর নেই তার অবস্থা কি হবে? কেননা,আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, ঐ দিন প্রত্যেক দলকে তাদের ইমামের সাথে আহবান করা হবে|=সুরা আল ইসরায়িলঃআঃ৭১|সুরা জাসিয়াঃআঃ২৩|সুর
া তাওবাঃআঃ৩০|
যে ব্যক্তি ইমামের আনুগত্য থেকে হাত গুটিয়ে নিল,যে কিয়ামত দিবসে আল্লাহর সাথে
এমন অবস্থায় সাক্ষাত্ করবে,তার হাতে কোন দলীল থাকবে না|যে ব্যক্তি এমতাবস্থায় মৃত্যুবরণ করলো যে,তার গর্দানে বায়’আত(আনুগত্যে
র)বেড়ি থাকলো না,সে জাহেলিয়াতের মৃত্যুতে মৃত্যুবরণ করলো|=মুসলিমঃকিতাবুল ইমারা, ২/১২৮|
শিরক ও কুফরি মুক্ত খোদাভীরু আলেম (মুরশিদ)শায়খ/পীর এর কাছে বায়’আত হওয়া জায়েয|=সুরা নাহলঃআঃ১২৮| বুখারীঃকিতাবুল ফাতান,২/১০৪৫| মুসলিমঃকিতাবুল ইমারা,২/১২৮| হাকিমঃমুস্তাদরক,৩/৪২১,হাঃনং৫৬০১|তি
রমিযীঃআবওয়াবুদ দাওয়া,২/১৯৯|মুসনাদ আহমাদঃ২/২৫২,৩৫৯,৩৮৩|
কোন মহিলা শায়খ/পীর বা পুরুষের নেতৃত্ব দিতে পারবে না|=বুখারীঃকিতাবুল ফাতান, ২/
১০৫২,হাঃনং৭০৯৯, কদীমী কুতুবখানা করাচি|তিরমিযীঃআবওয়াবুল ফাতান,২/৫১, আমিন কোম্পানী দিল্নি|মুসনাদ আহমাদঃআন আবী বাকার,৫/৫১,আল মাকতাবাতুল ইসলামীয়া বৈরুত|নাসায়ীঃকিতাবুল আদাবুল কদাহ,২/৩০৪,করাচি|
বেলায়াতের সংজ্ঞা=বেলায়াত এক বিশেষ নৈকট্যের নাম|যিনি ঐ বিশেষ নৈকট্যের শেষ সীমা পর্যন্ত পৌছেছেন তিনিই আল্লাহর ওলী|=তাফসীরে কাবীরঃসুরা ইউনুস সংশ্লিষ্ট আয়াতঃ৬২, ৬/২৭৬|
বেলায়াত অর্জনযোগ্য নাকি আল্লাহ প্রদত্ত|=সুরা আনকাবুতঃআঃ৬৯|
বেলায়তের চারটি স্তর আছে=১.কুফর থেকে বাঁচা|২.পাপ থেকে বিরত থাকা|
৩.সন্দেহযুক্ত জিনিস থেকে নিজেকে রক্ষা করা|৪.গাইরুল্লাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করা|গাইরুল্লাহ হচ্ছে যা মহান রব থেকে বিমুখ করে|=তাফসীরে কবীরঃসুরা ইউনুচঃআঃ৬২. তাফঃ নুরুল ইরফানঃসুরা আনফালঃআঃ৩৪|
কারামত এর সংজ্ঞা-কারামত অর্থ ঐ স্বভাববিরুদ্ধ কাজ যা কোন কিছুর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রকাশ করা হয় না|আর তা এমন বান্দা থেকে প্রকাশ পায় যিনি সত্ হিসেবে প্রসিদ্ধ এবং নিজ নবীর শরীয়তের অনুসরণকারী ও সঠিক আকিদা পোষণকারী এবং সত্কাাজে সদা তত্পপর|=আবদুল গণী বিন ইসমাঈল নাবলূসীর আল হাদীকাতুন নাদিয়াঃ২য় অধ্যায়,১/২৯২|
কুরআনের আলোকে কারামত|=সুরা নামলঃআঃ৪০|
অদৃশ্য থেকে মৌসুমবিহীন ফল পাওয়া=সুরা আলি ইমরানঃআঃ৩৭|
ঘুমন্ত অবস্থায় কারামতের প্রকাশ|=সুরা কাহাফঃআঃ৯-১১|
হাদীসের আলোকে কারামত প্রকাশ পাওয়া|
নবজাতক শিশু কথা বলা|=বুখারীঃকিতাবুজ জলিম,পৃঃ১৯৫,হাঃনং২৪৮২|মুসলিমঃকিতাবুল বিররি অসসলাতি অল আদাব,পৃঃ১১২৫,হা
ঃনং৬৫০৯|
খাবার খাওয়ার পর আবার তিনগুণ বেশি বৃদ্ধি হয়ে যাওয়া|=বুখারীঃকিতাবুল মাওয়াকিতুস সলাত,পৃঃ৪৯,হাঃনং৬০২|অনেক দূর থেকে ইসলামী সেনাবাহিনীকে প্রত্যক্ষ করা|=তিরমিযীঃপৃ
ঃ২০৩১,হাঃনং৩৬৮২|কানযুল উম্মালঃ১২/
২৫৬,হাঃনং৩৫৭৮৩
আল্লাহ তা’আলা হাদীসে দুটি বিষয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করেন|১.আল্লাহর ওলী অমান্যকারীদের সাথে|২.সুদখোরদের সাথে|=বুখারীঃকিতাবুর রিকক,পৃঃ৫৪৫,হাঃনং৬৫০২|ইবনে মাজাহঃ আবওয়াবুল ফিতান,পৃঃ২৭১৬,হাঃনং৩৯৮৩|মিরাতুল মানাজীহঃ৭/১৩৮|
শিষ্ট ভাগ্যবান আর অশিষ্ট হতভাগা|=শায়খ আবদুল কাদের জিলানী(রহঃ)এর ফতহুল গায়ব এবং মাদানুল আনোয়ারঃপৃঃ১৯|নুযহাতিল খাতির বাংলা সংস্করণ,পৃঃ৬৬|
আল্লাহর ওলীর শত্রুগণ লাঞ্চিত হয়|=তাফসীরে রুহুল বয়ান,সুরা হাজ্জ আয়াত ১৮,৬/১১|
আল্লাহর ওলীর কবরের পাশে স্থানের বিশেষত্বের কারণে দু’আ কবুল হয়|নতুবা নবী(সঃ)কবরের পাশে দাড়িয়ে এই দু’আ পড়তেন না যে,(আছআলুল্লহু লী ওয়ালাকুমুল ‘আফিয়া)অর্থাত্ আমি আল্লাহর কাছে আমার এবং তোমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি|=মুসলিমঃকিতাবুল জানাযা,পৃঃ৮৩০,হাঃনং২২৫৫|মুসলিম
ঃপৃঃ৮৩১,হাঃনং২২৫৭|
প্রবৃত্তিগত মৃত্যু এবং শারিরীক মৃত্যু|=বুখারীঃ
কিতাবুদ দাওয়াহ,পৃঃ৫৩৪,হাঃনং২৩৪৮|সুরা দুখানঃআঃ৫২-৫৩,৫৬|
আল্লাহর ওলীগণ কবরেও জিবিত বরং কুরআন পাঠ করে|=তিরমিযীঃআবওয়াবুল ফাযায়িলিল কুরআন,পৃঃ১৯৪২,হাঃনং২৮৯০|
নামধারী জাল পীরের কর্মকান্ড প্রত্যেখ্যিত ধর্তব্য নয়|=সুরা যুমারঃআঃ৯|
আল্লাহর ওলী ও আল্লাহর প্রতিদ্বন্দী ওলী
ওলী শব্দটি আরবী (ওয়ালইউন)বা (ওয়ালাইয়াতুন)থেকে গঠিত।ওয়ালইউন এর অর্থ নৈকট্য ও ওয়ালাইয়াতুন এর অর্থ সহায়তা।তাই ওলী শব্দের শাব্দিক অর্থ নৈকট্য লাভকারী বা সাহায্যকারী।কুরআন শরীফে ওলী শব্দটি বন্ধু,আত্মীয়, সাহায্যকারী,অভিভাবক, উত্তরাধিকারী, মাবুদ, মালিক,হেদায়েতকারী ইত্যাদি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে,দেখুন=সুর
া মায়িদাঃআঃ৫৫,সুরা তাহরীমঃআঃ৪,সুরা আহযাবঃআঃ৬,১৭,সুরা নিছাঃআঃ৭৫,সুরা কাহাফঃআঃ১০২,সুরা আনফালঃআঃ৭৩।
ওলী শব্দটি যখন আল্লাহর মুকাবিলায় আসে,তখন এর অর্থ হবে মাবুদ বা প্রকৃত মালিক।এ ধরনের ওলী গ্রহন শিরক ও কুফর।যদি ওলী শব্দটি আল্লাহর মুকাবিলায় না হয়,তাহলে এর অর্থ হবে বন্ধু,সাহায্যকারী,নিকট আত্মীয় ইত্যাদি।এ ধরনের অগণিত আয়াতে আল্লাহর অনুমতিতে সাহায্যকারী বুঝানো হয়েছে।যেখানে উসীলার অস্বীকৃতি রয়েছে,সেখানে মৃতদের উসীলা বা কাফিরদের জন্য উসীলা বুঝানো হয়েছে বা সেই উসীলা বুঝানো হয়েছে,যার পূজা পাঠ করা হয়।যেখানে উসীলা প্রমানিত আছে,ওখানে আল্লাহর প্রিয়জনদের উসীলা বা মুমিনদের জন্য উসীলা বুঝানো হয়েছে,এভাবে অর্থ করা হলে আয়াতসমূহে আর কোন দ্বন্দ্ব থাকে না,আর অস্বীকৃতির আয়াত গুলোতে বুঝা গেল যে আরবের মুশরিকরা তাদের ২.ওলী।মূর্তিগুলোকে,যেগুলো খোদার দুশমন,খোদার সান্নিধ্য লাভের উসীলা মনে করে পূজা করতো,ওদের মুশরিক হওয়ার দুটি কারণ রয়েছে-এক,খোদার দুশমনকে খোদা পর্যন্ত পৌছাঁর উসীলা মনে করা,দুই,ওগুলোর পূজা করা।কেবল উসীলা গ্রহন করার কারণে তারা মুশরিক হয়নি।দেখুন=সুরা মায়িদাঃআঃ৩৫,সুর
া নিছাঃআঃ৬৪।এ ধরনের সমস্ত আয়াতে উসীলার প্রমান রয়েছে।তবে সেই উসীলা,যেটা আল্লাহর অনুমতিক্রমে তাঁর প্রিয় বান্দাগণ আল্লাহ পর্যন্ত পৌছাঁয়ে দেন।যে সব আয়াতে বলা হয়েছে যে মানুষ যা নিজে করে,সেটারই প্রতিফল পাবে,এর দ্বারা শারীরিক ফরজ ইবাদত সমূহ বুঝানো হয়েছে বা ঐসব আয়াতের ভাবার্থ এটাই হবে যে মানুষের জন্য নিজের আমলসমূহ হবেই নির্ভরযোগ্য।যে সব আয়াতে বলা হয়েছে যে অন্যদের নেকী নিজের কাজে আসে,এর দ্বারা আমল সমূহের ছওয়াব,বা মসীবত দূর হওয়া বা মর্যাদা বৃদ্ধি হওয়া বুঝানো হয়েছে। এ আয়াতদ্বয়ের ভাবার্থ হচ্ছে,কেউ কারো পক্ষে ফরয নামায পড়তে পারবে না,ফরয রোযা রাখতে পারে না।এ জন্য ওসব আয়াতে চেষ্টা ও অর্জনের কথা বর্ণিত হয়েছে বা আয়াতের অভিপ্রায় এটাই যে নিজে যা করে সেটাই হচ্ছে নিজের মূলধন।ধার্মিক বাবার উসীলায় সন্তানকে থোদার দয়া=সুরা কাহাফঃআঃ৮২
আল্লাহর ওলী ও আল্লাহর প্রতিদ্বন্দী ওলী
দোস্ত বা সাহায্যকারী অর্থবোধক ওলী দু’রকমের হয়ে থাকে-এক,আল্লাহর ওলী,দুই,আল্লাহর প্রতিদ্বন্দী ওলী।তিনিই আল্লাহর ওলী,যিনি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক রাখেন এবং আল্লাহর বন্ধু।এ কারণে বিশ্ববাসী আল্লাহর ওলীগণকে ভালবাসেন।
আল্লাহর প্রতিদ্বন্দী ওলী দুরকমের হয়ে থাকে-এক,আল্লাহর দুশমন-কাফির,মূর্তি বা শয়তানকে বন্ধু সাব্যস্ত করা।দুই,আল্লাহর বন্ধুগণকে যথা নবী ওলীগণকে আল্লাহর মুকাবিলায় সাহায্যকারী মনে করা।অর্থাত্ এ ধারণা পোষন করা যে উনারা আল্লাহর মুকাবিলায় আমাদের কাজে আসবে।আল্লাহর ওলীগণকে মান্য করা যথার্থ ইমানের পরিচায়ক আর আল্লাহর প্রতিদ্বন্দী ওলী হিসাবে কাউকে গ্রহন করা অকাট্য কুফরী ও শিরক।দেখুন=সুরা ইউনুছঃআয়াত ৬৩, বাক্বরাঃআঃ১০৭, নিছাঃআঃ৫২, শুরাঃআঃ৪৪, কাহাফঃআঃ১৭।
নযর ও নিয়ায।
কুরআনে(নযর)শব্দটি অনেক জায়গায় ব্যবহৃত হয়েছে,নযর এর আভিধানিক অর্থ ভয় দেখানো বা ভয়ের কথা শুনানো।শরীয়তের পরিভাষায় নযর হচ্ছে অনাবশ্যক ইবাদতকে নিজের জন্য আবশ্যক করে নেয়া।প্রচলিত অর্থে নযর মানে নযরানা,হাদিয়া।এ শব্দটি কুরআনে তিন অর্থে ব্যবহৃত দেখুন=ভয় অর্থে-সুরা ফাতিরঃআঃ২৪।সুরা হাজঃআঃ৩৩,আলি ইমরানঃআঃ৩৫, মারইয়ামঃআঃ২৭,এ ধরনের আয়াতে নযর দ্বারা শরয়ী নযর বুঝানো হয়েছে।অর্থাত্ মানত করা এবং অপ্রয়োজনীয় ইবাদতকে নিজের জন্য অপরিহার্য করে নেয়া,এ ধরনের নযর বা মানত ইবাদত হিসেবে গণ্য।এ জন্য এ ধরনের নযর বা মানত কোন বান্দার জন্য হতে পারে না।যদি কেউ কোন বান্দার এ রকম নযর বা মানত করে,তাহলে সে মুশরিক হবে।কেননা আল্লাহ ব্যতীত কারো ইবাদত শিরক।যেহেতু ইবাদতের জন্য এটা শর্ত যে,যার ইবাদত করা হয়,ওকে খোদা বা খোদার সমতুল্য মনে করা,সেহেতু এ নযর বা মানতের বেলায়ও একই শর্ত প্রযোয্য হবে।অর্থাত্ কাউকে খোদা বা খোদার সমতুল্য মনে করে ওর নামে নযর বা মানত করা।যদি মানতকারীর মনে এ ধরনের বিশ্বাস না থাকে বরং যার মানত করে,ওকে কেবল বান্দা মনে করে, তাহলে এটা শরয়ী নযর বলে গণ্য হবে না।এ জন্য ফকীহগণ নযর বা মানতে ইবাদতের শর্তারোপ করেছেন।এটাও স্মরণ রাখা দরকার যে যদি কেউ বান্দার নামে শরয়ী নযর বা মানত করে অর্থাত্ বান্দাকে খোদাতুল্য মনে করে মানত করে,তাহলে সেই ব্যক্তি মুশরিক এবং ওর এ কাজ হারাম বলে গণ্য হবে।তবে সেই তবে সেই মানতকৃত জিনিস হালাল থাকবে।মানতকৃত জিনিসকে হারাম মনে করা মারাত্মক ভুল এবং কুরআনের বিপরীত হবে।দেখুন=সুরা মায়িদাঃ আঃ১০৩,সুরা বাক্বারাঃআঃ১৭৩,২৭০,সুরা আনয়ামঃআঃ১১৯,১৪০,সুরা তাওবাহঃআঃ৯৯, এসব আয়াতে আল্লাহ তাআলা আরবের কাফিরদের সেই ভ্রান্ত আকিদা অর্থাত্ যে পশু বা ফসল দেবতার নামে উত্সবর্গিত হয় সেটা হারাম হয়ে যাওয়ার ধারনাকে জোরাল ভাবে খন্ডন করেছেন এবং বলেছেন তোমরা আল্লাহর প্রতি অপবাদ দিচ্ছ।আল্লাহ তাআলা এসব জিনিস হারাম করেনি,তোমরা কেন হারাম মনে কর? এর থেকে বুঝা যায় মূর্তির নামে মানত করা শিরক ছিল,এবং ওদের একাজ বড় অপরাধ ছিল,কিন্তু সেই জিনিসকে হালাল সাব্যস্ত করেছেন,এবং হারামকারীদের র্ভত্সইনা করা হয়েছে।সেটাকে হালাল রিযিক ও পবিত্র রুযি বলেছেন।ঐসব মূর্তিদের নামে ছেড়ে দেয়া পশুগুলো সম্বন্ধে বলেছেন-আল্লাহর নামে যবেহ করে খাও,কাফিরদের কথা শুন না।অনুরূপ এখনও যে জিনিস আল্লাহ তাআলা ব্যতীত অন্য কারো নামে নযর বা মানত করা হয়, সেটা হালাল ও পবিত্র,যদিওবা মানতটা শিরক।
নযরের তৃতীয় অর্থ ব্যবহারিক বা প্রচলিত।অর্থাত্ কোন বুজুর্গকে কোন জিনিস হাদিয়া,নযরানা তোহ্ফা দেয়া বা দেয়ার নিয়ত করা বা এরকম নিয়ত করা যে আমার অমুক কাজ হয়ে গেলে,আমি বড়পীর আবদুল কাদের জিলানি(রহঃ)এর নামে ডেক পাঠাবো অর্থাত্ ডেক ভরে খাবার তৈরী করে আল্লাহ তাআলার নামে দান করবো এবং এর সওয়াব বড়পীর আবদুল কাদের জিলানী(রহঃ)এর রুহে নযরানা হিসেবে পেশ করবো।এরকম নযর বা মানত সম্পূর্ণ বৈধ।সাহাবায়ে কিরাম(রঃ)গণ এরকম নযর বা মানত হুজুরের নামে করেছেন এবং পেশ করেছেন।হুজুর তা কবুল করেছেন।এ রকম মানত হারাম নই এবং মানতকৃত জিনিসও হারাম নই।একে সাধারন লোকদের পরিভাষায় নিয়ায বা নযরানা বলা হয়।কুরআন শরীফে এর প্রমান রয়েছে,দেখুন=সুরা তাওবাহঃআঃ৯৯, এ আয়াতে বর্ণিত হয়েছে যে, মুমিনগণ তাদের দান খয়রাতে দুটি নিয়ত করে থাকেন,এক-আল্লাহর নৈকট্য ও তার ইবাদত,দুই-নবীজির দুআ অর্জন।বুজুর্গান
ে দ্বীন এর নামে ফাতেহা দানকারীরা বা ওনাদের নামে মানতকারীদের উদ্দেশ্য এটাই হয়ে থাকে যে দান খয়রাত আল্লাহর জন্য এবং ছওয়াব নির্দিষ্ট বুযুর্গের জন্য,যাতে ওনার আত্মা সন্তুষ্ট হয়ে ওদের জন্য দুআ করে।একবার নবীজি এক যুদ্ধ থেকে সহীহ সালামতে ফিরে আসলেন,তখন এক বালিকা আরয করলো-ইয়া রছূলাল্লাহ আমি মানত করেছিলাম যে আল্লাহ তাআলা আপনাকে সহীহ সালামতে ফিরায়ে আনলে আপনার সামনে দফ বাজাবো ও গান করবো।রছূল(সঃ)বললেন,যদি তুমি মানত করে থাক,তাহলে বাজাও,অন্যথায় বাজাইওনা।দেখুন=
মিশকাতঃ অধ্যায়ঃ মানাকিবি উমার(রঃ),এ হাদীসে নযর শব্দটি
পীর আউলিয়ার কারামাত
আউলিয়া শব্দটি কে দুই দিকে সম্ভোধন করা হয়েছে।১.আল্লাহ তায়ালার আউলিয়া(বন্ধু)২.
শয়তানের আউলিয়া(বন্ধু)।আর পীর শব্দটি যদিও বা ফার্সী কিন্তু তার আরবী হচ্ছে মুরশিদ,শাইখ ইত্যাদি,বাংলা হচ্ছে পথপ্রদর্শক,দেখু
ন=ফরহাঙ্গে জাদীদ।আর পীর আউলিয়া এই শব্দগুলি কুরআন থেকে ই পাওয়া গিয়েছে,ঐ যে সলাত কে যেভাবে ফার্সী শব্দ নামায দিয়ে পরিচিত করেছে,ঠিক সে ভাবে মুরশিদ শব্দটি কে পীর শব্দ দিয়ে পরিচিত বা প্রচলন করা হয়েছে। দেখুন=সুরা কাহাফ,আয়াত ১৭।
কুরআন ও হাদীসের আলোকে পীর আউলিয়ার মর্যাদা দেখুন=সুরা ইউনুছ,আঃ৬২-৬৪,সুরা নিছা,আঃ৬৯,১৩,৫৭,সুরা আনফাল,আঃ৩৪,সুরা মায়িদাহ,আঃ৯,সুরা র’দ,আঃ২৯। নাসায়ীঃইসরতুন নিছা,১/৭৫,হাদীস নং৭৭৬৬।মুসনাদ আবু ইয়ালাঃ১৪/৩৭২,হাঃনং৬৯৩০।
এখন দেখি পীর আউলিয়াদের সাথে সম্বোদিত কিছু শব্দের অর্থ=১.মাযার শব্দটি ফার্সি অর্থ=যিয়ারতের স্থান।২.দরগাহ শব্দটি ফার্সী অর্থ=পুণ্য ব্যাক্তির সমাধি।৩.দরবার শব্দটি ফার্সী অর্থ=সভাগৃহ,সম্মেলন স্থান ইত্যাদি,দেখুন=ফরহাঙ্গে জাদীদ,ফরহাঙ্গে রব্বানী.ইত্যাদি।আর যারা পীর আউলিয়ার বিরোধিতা করে ও উল্যেখিত মাযার দরগাহ দরবার শব্দগুলো নিয়ে কটুক্তি করে এবং শিরক এর ফতোয়া দেয়,অথচ বিরোধিতাকারীদের ও অঘোষিত পীর=মুরশিদ=শায়খ=পথপ্রদর্শক আছে এবং তাদের দরবারে লেকচ্যার শুনার জন্য পর নারী পর পুরুষগণ (জশনে জুলুছ)আনন্দ মিছিল করেও যাচ্ছে,তাতে কি? ডাঃ বলে একটা কথা আছে না! শুধু কি তাই? কিছু কিছু পীরের দরবারে যেমন মহিলাদের দেখা যায়, শব্দ শুনা যায় ,ঠিক ডাঃ সাহেবের (দরবার)এ লেকচ্যার গৃহে ও তেমন মহিলাদের দেখা যায় শব্দ শুনা যায়।বাহ কি মিল এই মাযহাবী ঘোষিত পীর আর লা মাযহাবী অঘোষিত পীর এর মধ্যে।ইনশা-আল্লাহ এই ভাবে আরো অনেক সাদৃশ্য দেখাতে পারবো লা মাযহাবী, মওদূদী,ও ইয়াহুদিদের মধ্যে।কিন্তু ঐ অভ্যাস নেই,যা দেখিয়ে দেই,তা অপারগতায়।
আল্লাহ তাআলার হুকুমে ও ইচ্ছায় আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ দূর থেকে শুনেন ও দেখেন।দলীল দেখুন=সুরা নামাল,আয়াত ১৮,১৯,২২,২৭,৪০,সুরা ইউসুফ,আঃ ৬,৯,২৪,৮৩, ৮৬,৯৪,সুরা আলি ইমরান,আঃ৪৯,সুরা আরাফ,আঃ২৭,সুরা আনয়াম,আঃ৭৫,সুরা ফাজার, আঃ৬,সুরা ফীল,আঃ১।যে তাফসীর গুলো দেখবেন তা হলো তাফসীরে আব্বাস,ইবনে কাসীর,বায়যাবী,জ
ালালাইন,কুরতুবী,কাশ্শাফ,রুহুল মাআনি,ফতহুল ক্বদীর,জামেউল বয়ান।
আপত্তি ১।ইয়াকুব (আঃ)এর দৃষ্টি ও গ্রাণশক্তি যদি এতো তিক্ষ্ন ছিল যে মিশরের অবস্থা জেনে নিয়ে ছিলেন, তাহলে ৪০বছর পর্যন্ত কেন কাদতে ছিলেন? উনার কান্না থেকে বুঝা যায় যে তিনি ইউসুফ(আঃ)সম্পর্কে বেখবর ছিলেন। জবাবঃ এর সাদাসিদে জবাব হচ্ছে নবীগণের সমস্ত শক্তি আল্লাহ পাকের ইচ্ছাধীন,তিনি যখন চাহেন তাদের কে কোন দিকে মনোনিবেশ করান,আবার যখন চাহেন অমনযোগী করে রাখেন।অজানা ও অমনযোগী এক কথা নই,বিশ্লেষন মূলক জবাব হচ্ছে ইয়াকুব(আঃ)এর কান্নাটি ছিল আল্লাহর মুহাব্বতে, ইউসুফ(আঃ)ছিলেন বাহ্যিক উপলক্ষ মাত্র।কৃত্তিমতা হচ্ছে বাস্তবতার সেতু,নতুবা তিনি ইউসুফ(আঃ)এর প্রতিটি অবস্থা সম্পর্কে অবিহিত ছিলেন,সয়ং কুরআনে উনার কিছু কথা কে এভাবে উদ্ধিত করেছেন যদ্দারা বুঝা যায় যে তিনি সব কিছু জানতেন।দেখুন=সুরা ইউসুফ,আয়াত ৮৬,৮৩,৬।
আপত্তি ২।সুলায়মান(আঃ)বিলক্বিছের রাজ্যের খবর জানতেন না,হুদহুদ পাখি সংবাদ দিয়েছিল,এখন প্রশ্ন হলো যদি তিনি বিলক্বিছের রাজ্য সম্পর্কে জানত,তাহলে বিলক্বিছের কাছে চিঠি লিখে যাচাই কেন করলেন যে হুদহুদ পাখি সত্যবাদী না মিত্যাবাদী,এতে বুঝা গেল যে তিনি বিলক্বিছ সম্পর্কে জানতেন না,হুদহুদই জানত,প্রতীয়মান হলো যে নবীর জ্ঞান থেকে পশু পাখির জ্ঞান অনেক হতে পারে(নাঊজুবিল্লাহ) জবাবঃএ আয়াত সমূহে আল্লাহ পাক কোথাও বলেননি যে সুলায়মানের জ্ঞান ছিলনা,হুদহুদ পাখি ও এরকম বলেনি যে-আপনি বিলক্বিছের খবর জানেন না,বরং বলেছিল-আমি সে জিনিস দেখে এসেছি যা আপনি দেখেন নি অর্থাত্ আপনি ওখানে যান নি দেখেন নি,এটা কোথায় থেকে জানা গেল যে তিনি অনবহিত ছিলেন,যদি অনবহিত থাকতেন,তাহলে যখন আসফ ইবনে বরখিয়াকে বিলক্বিছের সিংহাসন নিয়ে আসতে বললেন,তখন আসফ বলেনি হুজুর আমি সেই জায়গা দেখিনি,চিনিনা এবং সিংহাসন কোথায় আছে আছে তাও জানিনা,আপনি হুদহুদকে আমার সাথে দিন,সে রাস্তা দেখিয়ে দিলে আমি নিয়ে আসবো বরং কারো কাছে জিজ্ঞেস না করে মুহুর্তের মধ্যে সিংহাসন নিয়ে আসল,যদি সেই সিংহাসন উনার দৃষ্টি সীমার মধ্যে না থাকতো তাহলে কিভাবে নিয়ে আসলো,তাই যখন আসফের দৃষ্টি থেকে সিংহাসন লুকায়িত নই,তখন সুলায়মান(আঃ)এর দৃষ্টি থেকে কি করে লুকায়িত হবে? কিন্তু প্রত্যেক কাজের একটি সময় ও সহায়ক বিষয় থাকে।বিলক্বিছের ঈমান আনার সময় সেটাই ছিল।এবং হুদহুদকে এ কাজের সহায়ক করাটা খোদার হুকুম ছিল,যাতে জানা না যায়,নবীগণের দরবারের পশু পাখিরা ও লোকদের ঈমান নসীব হওয়ার সহায়ক।সুলায়মান(আঃ)যাচাই করাটা না জানার না জানার দলীল নই,আল্লাহ কাউকে জানালে তাতে না জানার আর কিছুই নই। আল্লাহ তাআলা ক্বিয়ামতের দিন সমস্ত বান্দার আমল সমূহ যাচাই করে রায় দিবেন,তাহলে কি আল্লাহ তাআলা কে ও অনবহিত বলতে হবে?(নাঊজুবিল্লাহ) আল্লাহ তাআলা সব কিছুর মালিক,কিন্তু যাকে খুশি তাকে দান করে,তা দেখে জুলখোআইসারা কেন এমন করে?
মৃতরা শুনে।দলীল দেখুন=সুরা আরাফ,আয়াত ৭৯,৯৩,সুরা যুখরুফ,আঃ৪৫,সুরা বাক্বরা,আঃ২৬০,স
ুরা হাজ্ব,আঃ২৭।বায়হাক্বী শুয়াবুল ইমান,১০,১১/
৩০০,৪৭৩,হাদীস নং৭৫২৭,৮৮৫৭,দায়লামী মুসনাদুল ফিরদাউস,৪/১০৩,হাঃনং৬৩২৩,নাসায়ী ইসরতুন নিসা,১/২৫,মুসলিম,১৪/৩২,হাঃনং৫১১৬,ত্ব
বরানী,মুজামুল আওসাত,৮/৩৯৩,হাঃনং৩৮৪২,
আউলিয়া ও সলিহীনদের পর্যবেক্ষন,দলীল দেখুন=বায়হাক্বী দালাইলুন নুবুওয়াত,৩/
৩০৯,শুয়াবুল ইমান ১০/৩০০,হাঃনং৭৫২৬,কালাইদুল যাওয়াহির|
মুজতাহিদ ইমামের মাযার কে (ওয়াছীলা)মাধ্যম করা,দলীল দেখুন=মোল্লা আলী ক্বারীর মিরকাত|
মৃতদের সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া,দেখুন=ইবন
ে আবী শায়বাহ,৩/৩৬৭,হাদীস নং১২১১৫,ও ১২/
৩২,হাঃনং৩২৬৬৫|ইবনুল হুমামঃফতহুল ক্বদীর,৩/৪৩১|
কবরের উপর বসা নিষেধ| দেখুন=মুসলিমঃ৫/
৯৩,হাঃনং১৬১২,হাকেমঃ১৫/১৫২,হাঃনং৬৫৭৯|
মৃতদের কে মন্দ না বলা| দেখুন=বুখারীঃ৫/
১৯৬,হাঃনং১৩০৬|
মৃতদের হাড় ভাঙ্গা নিষেধ|দেখুন=আবু দাউদঃ৯/
৩,হাঃনং২৭৯২,
ইবনে মাজাহঃ৫/১০৬|
কবর যিয়ারত| দেখুন=ইবনে মাজাহঃ৫/
৪৫,হাঃনং১৬৬০|
মৃতদের সালাম দেওয়া| দেখুন=মুসলিমঃ৫/
১০৩,হাঃনং১৬২০,ইবনে মাজাহঃ৫/
১০,হাঃনং১৫৩৬,মুসনাদ আহমাদঃ৪৭/১৩, হাঃনং২১৯৬১,রদ্দুল মুহতারঃ৬/৪০০|
মৃত পাখি ও মৃত কাফির গণ জীবিতের ডাক শুনে।দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ২৬০,সুরা আরাফঃআঃ৭৮-৭৯।
কবর ও গম্বুজ।দেখুন=ইসাবা ফী আহওয়ালিস সাহাবা।
কবরকে চিহ্নীত করা ও ফলক লাগানো।দেখুন=আবু দাউদঃ৯/১,হাঃনং২৭৯১,উমদাতুল ক্বারীঃ১২,১৩/
৪৩৮,৫৬পৃঃ,রদ্দুল মুহতারঃ৬/৩৭৮,৩৭৯,হাকেম মুছতাদরকঃ৩/৩৯৭, হাঃনং১৩১৮ এর টিকা,তাফসীরে রুহুল বয়ান,জামিঊল ফতোয়া।
কবর পাকা করা,দেখুন=বুখারীঃখঃ১,কিতাবুল জিহাদ অরওয়াহ থেকে বর্ণিত হাদীস দ্রষ্টব্য, আয়নী শরহে হিদায়া,রদ্দুল মুহতারঃ৬/
৩৭৫,প্রাগুক্ত,তানবীরুল আবছার,দুররে মুখতারঃ৬/
৩৭২,৩৭৮,
কবর চুম্বন করা,দেখুন=বুখারীঃ৪/
৪৬৩,হাঃনং১১৬৫,তিরমিজীঃ৪/
১০১,হাঃনং৯১০,মিশকাতঃ১/৩৬৬,হাঃনং১৬২৩,বগ
ভীর শরহুস সুন্নাহঃ৫/২০৩,হাঃনং১৪৭০,না
সায়ীঃ৬/৩৭৯,হাঃনং১৮১৮,বায়হাক্বী সুনানুল কুবরাঃ৩/৪০৬।
মাযারে চেহারা লাগানো ও চুমু দেওয়া,দেখুন=আল ওয়াফাউল ওয়াফা।
বুযুর্গদের হাত চুম্বন করা,দেখুন=উমদাতুল ক্বারী শরহে বুখারীঃ১৪/৪৭১।
বুযর্গদের পোষাকে কাফন দেওয়া,দেখুন=বুখ
ারী,৪/৪৭৮,হাঃনং১১৭৫,ইবনে আবদিল বরঃআল ইসতিআব,২/১১২,
কাফনের উপর কালিমা তৈয়্যিবা লিখা বা আহাদ নামা রাখা,দেখুন=দুররুল মুখতার,৬/৪১৫।
ওলী বুযর্গদের সমাধির নিকট দাফন করা,দেখুন=বুখারীঃ৫/১৯৪,হাঃনং১৩০৫,আইনী উমদাতুল ক্বারী শরহে বুখারীঃ১৩/১৭৩।
কবরে পানি ছিটানো ও আযানের বাক্য পাঠ করা,দেখুন=বায়হাকীঃদালাইলুন নুবুওয়াহ,৭/২৬৪,ও ৪/৩০।
কবরে ঢাল লাগানো ও ফুল দেয়া,দেখুন=বুখা
রীঃ১/৩৬২,হাঃনং২০৯।
কবরে কুরআন তিলাওয়াত ও ঈসালে সওয়াব,দেখুন=তিরমিযীঃ১০/১৫৩,হাঃনং২৮৩৫,বা
য়হাকী,শুয়াবুল ইমান,১১/৪৭১,হাঃনং৮৮৫৪,মিরকাত শরহে মিশকাত,২/২৬৪,ও ৫/৪৬৫,দুররুল মুখতার,৬/৪০৪।
দূর দুরান্ত থেকে নিয়ত করে যিয়ারতের জন্য আসা,দেখুন=সুরা নিছাঃআঃ৬৪,ইবনে হাজার মাক্কীর জাওয়াহিরু মুনাযযাম,কাযী আয়ায,ফাতহুল ক্বদীর,দারু ক্বুতনী উত্তম মুস্তাহাব বলেন।
সত্কযর্ম পরায়নদের কারনে পাপীদের উপর আযাব আসেনা,দেখুন=সুরা আনফালঃআঃ৩৩,সুরা হাজঃআঃ৩৮,সুরা ফাতাহঃআঃ২৫,সুরা জারিয়াতঃআঃ৩৫,সুরা নূহঃআঃ২৭।
রছূল(সঃ)মুমিনদের জন্য ইহকাল ও পরকালের সাহায্যকারী,দেখুন=নাসায়ীঃ১/
১০৪,হাঃনং৯১,তিরমিযীঃ১২/১১৯,হাঃনং৩৫৯৪,মু
সনাদে আহমাদঃ১৫/১৭৫,হাঃনং৭১৩৪
আল্লাহর আদেশে রছূল(সঃ)এর খাদেমগণ ও সুপারিশ করবেন,দেখুন=সুরা মারইয়াম আঃ৮৭,আম্বিয়াঃআঃ২৮,ত্বহাঃআঃ১০৯।আল মাজালিছাতু ওয়া জাওয়াহিরুল ইলমঃ৫/
৩৪৪,হাঃনং২২১৬।আহাদীসে গরর,ফাদলুশ শায়খাইন
রছূল(সঃ)থেকে সাহায্য চাওয়ার জন্য সয়ং তিনি নির্দেশ দিলেন হাওয়াযেন গোত্রের প্রতিনিধি দলকে এবং আল্লাহ তাআলা নবীজিকে ব্যাপক স্বাধীনতা ও ক্ষমতা দান করেছেন,দেখুন=বু
খারীঃ১৪/৭৪২,হাঃনং৪৪১৪,নাসায়ীঃ১০/
২৮৯,হাঃনং৩১৪৮,মিশকাতঃ২/
২৩৮,হাঃনং৩২৫০,আহমাদঃ৫১/৩৩,হাঃনং২৩৮৭৭, হাকেমঃ৫/৪৭,হাঃনং১৯৪৯,ত্ববরানীঃমুঃ আওসাতঃ৯/১৭৩,হাঃনং৪১২০,হিসনে হাসীন।
আল্লাহ তাআলার(ওলী)বন্ধুগনের তাবাররুক দ্বারা আরোগ্য লাভ হয়,দেখুন=বুখারীঃ১৭/
৩৮৭,হাঃনং৫২১৯,ও ১৭/৩৪৫,হাঃনং১৯৭৪৯,ও ১৮/
২৯৯,হাঃনং২০৮০৬,মুসনাদে আহমাদঃ৫৪/
৩৮৭,হাঃনং২৫৭০৫,মিশকাতঃ৩/২৫৮,হাঃনং৫৭৮৮,ও ২/৫৩৪,হাঃনং৪৫৬৮,কাযী আয়াযের আশশিফাঃ২/
৫৬,ইমাম আবু ইউসুফ বিন আবদুল্লাহ এর কিতাবুল ইসতিয়াব ফী মারিফাতিল আসহাবঃ১/
৪৪৫,বায়হাকী ও ইবনে আসাকির|
আযানে নবীজির নাম শুনে বৃদ্ধাঙ্গুলী চুম্বন করা,দেখুন=দায়লামীর মুসনাদে ফিরদাউস,তাফসীরে জালালাইনের ১৩নং হাশিয়া,শরহে বেকায়া,ইবনে সীরীন,ইবনে খলকান,কানজুল উম্মাল হিন্দী,হুছনুল মাক্বসাদ।
আল্লাহর (আউলিয়া)বন্ধুগণের (ওয়াছীলা)মাধ্যম জরুরী,দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ৩৭,৬১
,৮৯,১৪৪,আলি ইমরানঃআঃ৩৮,১৬৪,
মায়িদাহঃআঃ৩৫,আরাফঃআঃ১৩৪,তাওবাঃ
আঃ১০৩,বাণী ইছরায়ীলঃআঃ৫৭,কাহাফঃআঃ২১।মোল্লা আলী ক্বারীর মিরকাত,৪/১৩।
রছূল(সঃ)আল্লাহ তাআলার দলীল,দেখুন=সুরা নিছাঃআঃ১৭৫,ফাতাহঃআঃ২৮।
রছূল(সঃ)আল্লাহর জিকির,দেখুন=সুর
া রদঃআঃ২৮,ত্বলাক্বঃআঃ১০,১১,গশিয়া
হঃআঃ২১।
আল্লাহ তাআলার হুকুমে রছূল(সঃ)রিযিকে বরকত দেন,ও ওমর ফারুক(রঃ)এর গুরুত্বপূর্ণ বকতব্য এবং ইয়া রছূলাল্লাহ বলা, আবদুন নবী আবদুর রছূল নাম রাখা সম্পর্কে আবু হুযায়ফা ইসহাক বিন বাশার বিভিন্ন সূত্রে ওমর(রঃ)এর খুত্বাসর নিম্নোক্ত অংশ উল্যেখ করেন,দেখুন=এজালাতুল খেফা।
রছূল(সঃ)এর অজু করা পানিকে তাবাররুক হিসেবে নিলেন বেলাল(রঃ) দেখুন=বুখারীঃ২/
১২৩,হাঃনং৩৬৩,মুসলিমঃ৩/৬৮,হাঃনং৭৭৮,
রছূল(সঃ)এর অজুতে ব্যবহৃত হওয়া (তাবাররুক)পানি দ্বারা আরোগ্য লাভ,দেখুন=
বুখারীঃ১৭/৩৮৭,হাঃনং৫২১৯।
ইমাম বুখারী(রহঃ)পর্যন্ত রছূল(সঃ)এর পানপাত্র দিয়ে পানি পান করেছেন তাবাররুক মনে করে,দেখুন=বুখারীঃ১৭/৩৬৮,হাঃনং৫২০৭,ইবনে হাজার এর শামায়েল,মুসলিমঃ১০/৪১১, হাঃনং৩৮৫৫,ও ১১/৪৮২,হাঃনং৪৩০২, মিশকাতঃ৩/২৫৮, হাঃনং৫৭৮৮,৪৫৬৮।
রছূল(সঃ)নিজ হাত মোবারক দিয়ে ওসমান বিন মাজউনের কবরে পাথর দিয়ে কবরকে চিহ্নিত করেছেন ও ওমর(রঃ)নিজেই যয়নাব বিনতে জাহশ(রঃ)এর কবরের উপর তাঁবু তৈরী করেছেন,দেখুন=আবু দাউদঃ৯/
১,হাঃনং২৭৯১,আইনীঃউমদাতুল ক্বারী,১২/৪৩৮, ও ১৩/৫৬,শামীঃরদ্দুল মুহতার,৬/৩৭৮-৩৭৯,জামেউল ফতোয়া থেকে আহকামে।
কবর পাকা করা,দেখুন=বুখারীঃখঃ১,কিতাবুল জিহাদ,অরওয়া(রঃ)থেকে হাদীস বর্ণিত নবীজির রওজার এক পাশ্বের প্রাচীর হেলে পরে গেলে একটি পা দেখা গিয়েছিল…।আইনীঃশরহে হিদায়া,শামীঃ৬/৩৭৫।তানবীরুল আবছার,দুররে মুখতার,৬/৩৭২,৩৭৮,আইনীঃশরহে কানজ।রছূল(সঃ)এর প্রতি আদব বজায় রাখা ইমানের মূল ভিত্তি,দেখুন=সুরা নিছাঃআঃ৬৫,মায়িদ
াহঃআঃ১২,আরাফঃআঃ১৫৭,আনফালঃআঃ২৪,
নূরঃআঃ৬৩,আহযাবঃআঃ৩৬,৫৩,ফাতাহঃআ
ঃ৯,হুজুরাতঃ১,২।
রছূল(সঃ)এর প্রতি বেয়াদবী কুফর,দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ১০৪,তাওবাহঃআঃ৬১,৬৬,আ
হযাবঃআঃ৫৭,সদঃআঃ৭৭,হুজুরাতঃআঃ২।
নিজের বাতিল আকিদাকে গোপন করে সুবিদাবাদিপন্থা অবলম্বন করা হারাম,দেখুন=সুর
া বাক্বরাঃআঃ১৪,আলি ইমরানঃআঃ৬৪,নিছা
ঃআঃ৯৭,মায়িদাহঃআঃ৬৭,আরাফঃআঃ২১,ই
উনুছঃআঃ১০৪,আম্বিয়াঃআঃ৫২,মুনাফি
ক্বুনঃআঃ২।
আল্লাহর দয়ায় মৃত ব্যক্তিগণ শুনেন এবং আল্লাহর প্রিয় বান্দাগণ মৃত্যর পরেও সাহায্য করেন যদি আল্লাহ চায়,দেখুন=সুরা আরাফঃআঃ৭৯,৯৩,যু
খরুফঃআঃ৪৫,নামালঃআঃ৮১,আনআমঃআঃ১২
২,বাক্বরাঃআঃ১৮,২৩,৮৯,আম্বিয়াঃআ
ঃ১০৭,সাবাঃআঃ২৮,বানী ইছরায়িলঃআঃ২৭,আল
ি ইমরানঃআঃ৫২,৮১, নিছাঃআঃ৫২,৬৪, দুহাঃআঃ৪,বাক্বরাঃআঃ৮৯,মায়িদাহঃ
আঃ২,মুহাম্মাদঃআঃ৭,কাহাফঃআঃ৯৫,আ
নফালঃআঃ৬২,৬৪,তাহরীমঃআঃ৪,তাওবাহ
ঃআঃ৭১,৭৪,সাজদাহঃআঃ১১,ইউসুফঃআঃ২৪,৯৪।
আল্লাহর আউলিয়াগণ আল্লাহর হুকুমে ও দেওয়া ক্ষমতা বলে সমস্যার সমাধান করে ও উদ্দেশ্য পূরণ করে,এবং দানশীল,এই উপাদি গুলো রূপক অর্থে,যেমন হুজুরদের মাওলানা বলা হয়।দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ৬০,২৪৮,আলি ইমরানঃআঃ৪৯,সদঃআঃ৪২,নিছাঃআঃ৬৪,ত
্বহাঃআঃ৯৬,আনফালঃআঃ৩৩,ইউসুফঃআঃ৯
,২৪,৯৩,৯৬,মার্ইয়ামঃআঃ১৯,ফাতাহঃ
আঃ২৫,যারিআতঃআঃ৩৫।
আল্লাহর ওলীগণের (কারামত)অলৌকিক ক্ষমতা সত্য।দেখুন=সুরা আলি ইমরানঃআঃ৩৭,কাহা
ফঃআঃ১৮,২৫,৭১,৮০,৮৪,মার্ইয়ামঃআঃ
২৫,নামালঃআঃ৪০।
আল্লাহর আউলিয়াগণের স্থান সমূহের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা বৈধ।দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ৫৮,১২৫,১৫৮,আলি ইমরানঃআঃ৩৮,৯৭,ত্বহাঃআঃ১২,বালাদঃআঃ১,২, আনকাবুতঃআঃ৬৭,কাহাফঃআঃ২১,তীনঃআঃ১-৪।
আল্লাহর আউলিয়াগণের নিকট দুআ গ্রহণীয়।দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ৫৮,আল
ি ইমরানঃআঃ৩৮,নিছাঃআঃ৭৫,মাইদাহঃআঃ
২৫৫।
বেইমানদের কোন সাহায্যকারী নাই।দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ১০৭,১২০,২৭০,আলি ইমরানঃ আঃ২২,নিছাঃআঃ১২৩,১৪৫,১৭৪,আনয়ামঃ
আঃ৭০,তাওবাহঃআঃ৭৪,হূদ,২০,রদঃআঃ৩৭,বানী ইছরাইলঃআঃ৯৭।
স্মৃতি স্মারক প্রতিষ্ঠা করা।দেখুন=সুরা বাক্বরাঃআঃ১৮৫,মাইদাহঃআঃ৭,১১৪,ই
উনুছঃআঃ৫৮,ইব্রাহীমঃআঃ৫।
আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের মুখ থেকে যা বলা হয় আল্লাহ তাআলা তা বাস্তবায়ন করেন।দেখুন=সুরা ত্বহাঃআঃ৯৭,ইউসুফঃআঃ৪১,বাক্বরাঃ
আঃ১২৬,১২৮,১২৯,নূহঃআঃ২৮,হূদ,৭৬,
তাওবাহঃআঃ৮৪,ইব্রাহীমঃআঃ৩৭।
আল্লাহর আউলিয়াগণের ওরস।
তরীকতপন্থীদের আমল হচ্ছে-যে তারিখে পীর সাহেব ইন্তেকাল করেছেন উক্ত তারিখে সবাই একত্রিত হয়ে খতমে কুরআন মজিদ,খতমে বুখরী শরীফ,জিকির মাহফিল,ওয়াজ ও মিলাদ কিয়ামের মাহফিল করা,কিন্তু অপ্রিয় হলেও সত্য যে অনেক পীরের দরবারে নারী পুরুষ অবাধে চলা ফেরা করে, হারাম বাদ্যযন্ত্র দ্বারা গান বাজনা ও শরীয়ত বিরোধি কার্যকলাপ করে থাকে,অর্থাত্ ভন্ড চিন্তে সমস্যা হয়না,আল্লাহ তাআলা তাদের হিদাইয়াত করুক। ওরস এর বেপারে সরাসরি কোন হাদীস নেই,কেবল একটি পরোক্ষ হাদিস আছে,যা কিনা
আববাদ বিন আবু সলেহ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন রছূল(সঃ)প্রতি বছর ওহুদ যুদ্ধের শহীদদের কবর যিয়ারত করতে আসতেন।এবং পরবর্তীকালে চার খলিফা (রঃ)গণ ও আসতেন এবং আমিরে মুআবিয়া(রঃ)ও আসেন।উক্ত হাদীসে (র’ছি কুল্লা খওলিন)শব্দকে সামনে রেখে সম্মানিত পূর্ববর্তী আলেমগণ ওরসের প্রবর্তন করেন।ওরস করা মুস্তাহাব,দেখুন=শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদ্দিস দেহলভীর হুমআত গ্রন্থ।
মাযারে চাদর বা গিলাফ দেওয়া,দেখুন=দুররুল মুখতারঃ২৬/৩৭৭,আল্লামা নাবলূসীর কাশফুন নূর আন আসহাবিল ক্বুবুর।
মৃত ব্যাক্তির নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা ও ইয়া আলী,ইয়া গাউস, ইয়া শায়খ আবদুল ক্বাদের জিলানী শাইআল লিল্লাহ বলা বৈধ,দেখুন=আহলি হাদীসের প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব সিদ্দীক হাসান খান ভুপালী যখন কোন বিপদে পরতেন তখন উল্যখিত ভাবে মৃতের কাছে সাহায্য চায়তেন=হাদিয়াতুল মাহদী,খন্ড ১,পৃষ্টা ২৩।শাওকাতুল ইসলাম ব্যঙ্গলোর থেকে প্রকাশিত। সিদ্দীক হাসান খানের লিখা গ্রন্থ নফহুত ত্বীব মিন যিকরিল মুনযিলি ওয়াল হাবীব,পৃঃ৩৬,৪৭-৫৭।আকবরাবাদ থেকে প্রকাশিত(ভারত)।মজমুআ মাকালাতঃখঃ২,পৃঃ১০৮।হাশিয়ায়ে হাদিয়াতুল মাহদি,পৃষ্টাঃ২০,তাফসীরে জামেউল বয়ানের শুরু দ্রষ্টব্য।সাওয়ানেহে হায়াতে পৃঃ১৬১।
আল্লাহর আউলিয়া ও সত্য (মুরশিদ)=পীর=পথ
প্রদর্শকদের কাছে বায়াত হওয়া,দেখুন= সুরা ফাতাহঃআঃ১০,সুরা কাহাফঃআঃ১৭,৬১,ত
াফসীরে রুহুল বয়ানঃ৫/২৬৪পৃঃ। মুসলিমঃ৩/
১৪৭৮,হাদীস নং১৮৫১,এবং ৫৮,মিশকাতঃ৩/
৫,হাঃনং৩৬৭৪,দারুল কুতুব ইলমিয়্যাহ বৈরুত।হাকিম মুস্তাদরাকঃমানাকিবে তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহঃ৩/৪২১, হাঃনং৫৬০১।মুসনাদ আহমাদঃ২/১৫৪পৃঃ।আল্লামা ইবনুল হাজ্বঃআল মাদখালঃ৩/১৫৫পৃঃদারুল কিতাব আরাবী,বৈরুত।ইমাম শারানীঃআল মিযানুল কুবরাঃ১/
২৩পৃঃ,মুস্তফা আল বাবী মিশর প্রকাঃ।আল্লামা শায়খ সোহরাওয়ার্দীঃআওয়ারিফুল মাআরিফঃ২য় পরিচ্ছেদঃ৭৮পৃঃ।ইমাম কুশাইরীঃআর রিসালাঃপৃঃ১৮১।
সুফীতত্ত্ব ও তাসাউফ
সুফীতত্ত্ব ও তাসাউফ এর দলীল কুরআন হাদীস থেকে দেখুন।আল্লাহর সত্ত্বায় অন্য কোন অস্তিত্ব সংযুক্ত হওয়া অসম্ভব।সূফী অর্থ=যে ব্যক্তি রছূল(সঃ)ও তাঁর পরিবার-পরিজন ও সাহাবায়ে কেরামের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলে,তাকে ‘সূফী’বলে আখ্যায়িত করা হয়। তাসাউফ এর শাব্দিক অর্থ নিজের অন্তরকে সত্যের বিরোধিতার পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত-পবিত্র করার নাম তাসাউফ।ইমাম মালেক(রহঃ)জন্ম ৯৫হিজরী বলেন,যে ফিক্বহ শাস্ত্রের দক্ষতা অর্জন করলো অথচ তাসাউফ অর্জন করলো না,সে পাপাচারে লিপ্ত হলো,যে তাসাউফের শিক্ষা নিলো কিন্তু ফিক্বহ শিক্ষা নিলো না,সে ধর্মদ্রোহী হয়ে গেলো।আর যে নিজের মধ্যে উভয়টির সমন্বয় ঘটালো সে সত্যিকারের জ্ঞান লাভে ধন্য হলো।দেখুন=সুরা আল বাক্বরাঃআঃ২৭৩,সুরা কাহাফঃআঃ২৮,সুরা আলি ইমরানঃআঃ১৬৩,সুরা ফুরকানঃআঃ৬৩,সুর
া ইউসুফঃআঃ১০৮,তাফসীরে ইবনে কাসীরঃ৩:৮১।তাফঃ মাযহারীঃ১:৩৯২।আল ফতূহাতুল ইলাহিয়্যাতঃপৃঃ২০। মিরকাতুল মাফাতীহ,১০:১৫৬।
কাশফুল মাহযূবঃপৃঃ৩১।
ওয়াহদাতুল ওয়াজুদের সত্য অর্থ কি? উল্লেখ্য যে, এ সূফীবাদীগণের মতে,আল্লাহর ওয়াহদাতুল ওয়াজূদের অর্থ এই নয় যে, দুই সনাতন অস্তিত্ব কিংবা সনাতন ও ঘটমান অস্তিত্বের মিলনে আল্লাহর সৃষ্টি(নাঊজুবিল্লাহ)
কেননা,কোন বস্তুতে না আল্লাহর অস্তিত্বের সংক্রমণ ঘটে,না আল্লাহর সত্তা কোন বস্তুর সমষ্টি।আল্লাহর দূরবর্তিতা সাধারণ দূরবর্তিতার মত নয়।তিনি অসীম,নির্দিষ্ট কোন স্থানে সীমাবদ্ধ নন।না কোন নির্দিষ্ট বস্তু তাঁকে বহন করে আছে,না তিনিও কোন বস্তুকে বহন করে চলেছেন।এক নিজস্ব পন্থায় তিনি তার সিংহাসনে সমাসীন।তাঁর সত্তা,গুণাবলী ও সকল তত্প রতায় তিনি স্বাধীন।তাঁর গুণাবলী,তাঁর সত্তার সাথে একক,তাঁর সত্তা,তাঁর গুণাবলী থেকে সম্পূর্ণ অবিচ্ছিন্ন।তাঁর নিজস্ব গুণাবলী,সমুদয় সৃষ্টিকুলের গুণাবলীর ঊর্ধ্বে এক বিশেষ মর্যাদার স্থান দখল করে আছে।পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হচ্ছে=তাঁর সাথে কোন বস্তুর তুলনাই হয় না,তিনিই সর্বশ্রোতা-সর্বদ্রষ্টা।সুরা আশ-শূরাঃআঃ১১।অনেকে দেখা যায়,তাসাউফের মর্ম না বুঝে জ্ঞানপাপী মুফতি শায়খদের কাছে ওয়াহদাতুল ওয়াজুদ এর মৃত্যা অপবাদের ব্যাখ্যা শুনে,আর যাচাই না করে অন্দ্ধ পুজারীর মত সূফীবাদীগণের বিপক্ষে সমালোচনায় হত্যায় নিজেকে আত্মানিয়োগ করে,তাঁদের প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে অবগত না হয়ে তাঁদের প্রতি যেনতেন ফরমান জারী করে বসে।ঈর্ষান্বিত হয়ে তাঁদের বিভিন্ন উক্তির মনগড়া অপব্যাখ্যা করতে থাকে।
ইসলামী তাসাউফ ও সূফীবাদীগণের ব্যাপারে তাদের এ মন্তব্যগুলো গ্রহণযোগ্য হবে না।কারণ,তারা এ ব্যাপারে অজ্ঞ।এ বিষয়ে তাদের কোন বিশেষ জ্ঞান নেই।এক পূণ্যবান বলেন,যে তাসাউফ এর মর্ম না বুঝে ‘তাসাউফ’সম্পর্ক
ে প্রশ্নবোধক চিহ্ন দাঁড় করায়,সে তাসাউফ বা সূফীবাদ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ।সে ঐ লোকের মতোই,যে একটি বদ্ধ কলসির চতুর্পাশে মৌমাছি উড়তে দেখে ধারণা করে বলে দেয় যে,এই কলসির ভেতর মৌমাছির বাসা রয়েছে।মৌমাছির এ দৃষ্টান্ত থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত,যে বস্তুর রহস্য সাধারণ মানুষের কাছে অপরিচিত,সেটির বাহ্যিক রূপ দেখেই তার রহস্য সম্পর্কে মন্তব্য করে ফেলা ঠিক নয়।এর রহস্য সম্পর্কে মহান আল্লাহ তা’আলাই অধিক জ্ঞাত।প্রখ্যাত সাহাবী আবু হুরায়রা(রঃ)এর নিম্নোক্ত হাদীসটি এ কথার বাস্তব প্রমাণ=আবু হুরায়রা(রঃ)বলেন,আমি আল্লাহর রছূল(সঃ)এর পক্ষ থেকে জ্ঞানের দুটি পাত্র সংরক্ষণ করেছি।এর একটা প্রচার-প্রকাশ করেছি।কিন্তু অপরটা প্রকাশ করলে তোমরা আমার মস্তক কেটে ফেলবে।=বুখারীঃঅধ্যায়ঃকিতাবুল ঈলম,হাঃনং১২০।
নবী(সঃ)এর বংশধর ইমাম যায়নুল আবেদীন(রঃ) বলেন,আমি অবশ্যই আমার জ্ঞানের জহরতগুলোকে গোপন করব,যাতে কোন মূর্খ তা দেখে প্রশ্ন করতে না পারে।আলী(রঃ)হাছান-হুছাইন(রঃ)কে এরই উপদেশ প্রদান করেন।আমার জ্ঞানের জহরতগুলোকে যদি আমি প্রকাশ করি,তবে আমাকে মূর্তিপূজারী বলা হবে।অবশ্যই মুসলিম আমাকে হত্যা করা হালাল মনে করবে।তাদের ভাল কাজগুলো তারা জঘন্যতম অপরাধ বলে মনে করবে।
অতএব,যারা কলসীর উপরে মৌমাছি দেখেই নির্দ্বিধায় এ মন্তব্য করে বসল,তারা তাসাউফ সম্পর্কে কোন কিছু না জেনেই বকাবকি করছে।তারা মনে করে,তারা অনেক কিছু জানে,আহলুল্লাহগণ সম্পর্কে মন্তব্য করার অধিকার তাদের রয়েছে।বস্তুত,তারা ভুল পথেই অছেঃ তারা তাসাউফ কিংবা তার রহস্য,বাণী,সংজ্ঞা ও পরিভাষাগুলোরই অর্থ জানে না।
শায়খ মুহিউদ্দীন ইবনে আরবী তাঁর রচিত আল ফতূহাতুল মাক্কিয়া নামক গ্রন্থের ৩১৪নং অধ্যায়ে বলেন,এটা কি করে সম্ভব? যদি মানুষ এবং ফেরেশ্তা তাদের মনুষ্যত্ব ও ফেরেশ্তাত্বের প্রকৃতি থেকে ঊর্ধ্বে উঠে মহান আল্লাহর অস্তিত্বের সাথে এক হয়ে যাওয়ার অবকাশ থাকে,(নাঊজুবিল্লাহ) তবে তাদের স্ব স্ব প্রকৃতিও পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার অবকাশ থাকবে।আর যদি তাই হয়,তবে অনিবার্যভাবে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তা’আলাও তাঁর নিজস্ব প্রকৃতি,’প্রভুত্ব’ থেকে অবনমিত হয়ে সৃষ্টিকুলের কাতারে চলে আসবেন। ফলে,(আল্লাহ)সৃষ্ট,ও সৃষ্টিকুল স্রষ্টার প্রকৃতিতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে(নাউজুবিল্লাহ)।অথচ ,এ তত্ত্বকে কেউই বিশ্বাস করে না,এ অসম্ভবটিকে কেউ অবধারিত বলে না।অতএব,স্রষ্টা এবং সৃষ্টিকুলের স্ব স্ব প্রকৃতিও কখনো পরিবর্তনযোগ্য নয়।শায়খ মুহিউদ্দীন বলেন,যে সম্প্রদায়ের আলেম দাবী করে যে,সে এবং প্রভু,প্রকৃতিগতভাবে একই উপাদানের(নাউজুবিল্নাহ)সে সম্প্রদায়ের যে কোন উক্তিকে তোমরা প্রত্যাখ্যান করো।স্রষ্টা ও সৃষ্টি একই প্রকৃতি হওয়াতো কখনই সম্ভব নয়,বুদ্ধিমত্তা,বাস্তবতা ও শরীয়ত সম্পর্কে অজ্ঞতা বশতঃ মূর্খরা বিভ্রান্ত হয়ে এ কথাগুলো বলছে।
একমাত্র তোমার প্রভুরই ইবাদত করো,তাঁর অস্তিত্বের সাথে কাউকে শরীক করো না।দেখুন,শায়খ মুহিউদ্দীন ইবনে আরবী স্রষ্টা ও সৃষ্টি এক হওয়ার দাবীটিকে শুধু নাস্তিকদের দাবী বলে আখ্যায়িত করেছেন,এই দাবী তিনি কত জোরালোভাবে খন্ডন করলেন!ফতূহাতুল মাক্কা৪/৩৭২-৩৭৯অতএব তাঁর গ্রন্থসমূহে স্রষ্টা ও সৃষ্টি এক হওয়ার পক্ষে তিনি কলম ধরেছেন বলে যে ধারণা করা হয়,তা নিছক ষড়যন্ত্রমূলক নতুবা অবাস্তবটি বুঝে নেয়া হয়েছে।আল্লাহওয়া
লাদের বিরুদ্ধে যারা অপবাদের বুলি ছুঁড়তে দ্বিধাবোধ করে না,আল্লাহকে তাদের ভয় করা উচিত।
শায়খ আলওয়ান আল-হুমুবী(মৃত্যুঃ৯৩৬হিজরী)
তিনি বলেন,হাসান বসরীর সুযোগ্য ছাত্র মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসি ‘আমি প্রতিটি বস্তুর মাঝে আল্লাহকে খুঁজে পাই’ বলে যে উক্তি করেছেন,তাতে ধারণা করা হয় যে,মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াসিও স্রষ্টা ও সৃষ্টি এক হওয়ার পক্ষে’নাউজুবিল্লাহ’
ওয়াসির এই উক্তির ব্যাপারে ইবনে তাইমিয়া যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন তা-ই অধিক সচেতনমূলক ও নির্ভুল।ইবনে তাইমিয়া বলেন,’আমি প্রতিটি বস্তুতে কিংবা প্রতিটি বস্তুর আগে বা পরে আল্লাহর অস্তিত্ব খুঁজে পাই’-এ ধরনের কারো উক্তির অর্থ দাড়াবে,’সৃষ্টিকর্তার প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুতে তাঁর নিদর্শন প্রকাশ পায়।=ইবনে তাইমিয়ার মজমুআতুর রাসাইল ওয়াল মাসাইল,পৃষ্টাঃ৮৬।
শায়খ আলওয়ান আল-হুমুবী ওয়াসীর উক্তিটির বিশ্লেষণে বলেন,আহলে হকগণের বিশ্বাস হলো,’মহান আল্লাহ কোন বস্তুতে সংক্রমণ করেন না এবং কোন বস্তুও আল্লাহর অস্তিত্বে সংক্রমণ করে না।অতএব কোন উক্তির বাহ্যিক ভাব থেকে সংক্রমণের ধারণা হলে তোমরা সেটির ব্যাখ্যা করে নাও।=শায়খ আলওয়ান আল-হুমুবীর আহকামুন নজরঃপৃষ্টা ১৮৭।
শায়খ আল-হাজবীরী ওয়াসীর উক্তিটির মন্তব্যে বলেন,মানুষ যখন আল্লাহর ভালবাসায় বিভোর হয়ে যায়,
সে তখন এমন এক পর্যায়ে পৌছে,সে তখন প্রতিটি বস্তুতে শুধু আল্লাহকেই দেখতে পায়।এক আল্লাহ ওয়ালা বলেন,’এ দৃষ্টি থেকে উদ্দেশ্য হলো,’প্রত্যক্ষ করা’, ‘চোখের দৃষ্টি’উদ্দেশ্য নয়।
কেননা,’চোখের দৃষ্টি’হলো চোখের বৈশিষ্ট,আর ‘প্রত্যক্ষ’হলো অন্তরের বৈশিষ্ট।=শায়খ আল-হাজবীরীর কাশফুল মাহজূবঃপৃষ্টা১১৫।
অতএব সূফীবাদীগণের ব্যাপারে আক্রমণাত্মক মন্তব্যকারীদের এ ব্যাখ্যাগুলো গভীরভাবে চিন্তা করা উচিত,ইবনে তাইমিয়া এবং অপরাপর মারিফাত ও সূফীতত্ত্ব জ্ঞানীর আল্লাহওয়ালাগণের উক্তি থেকে উপদেশ গ্রহণ করা উচিত।
তাসাউফের উত্পগত্তি সম্পর্কে জানতে দেখুন=ইমাম আবুল কাশেম আবদুল করীম আল কুশাইরী রচিত আর-রিসালাতুল কুশাইরিয়্যা গ্রন্থ,পৃষ্টা১২।(সবীহ সংস্করণ)।
আল্লাহর সত্ত্বায় সংযুক্তি এবং পদার্থে আল্লাহর সত্ত্বার বিদ্যমান হওয়া অসম্ভব অসম্ভব অসম্ভব ও শিরক।
ইমাম গাযযালী(রহঃ)বলেন,বিদ্যমানতার(হ
ুলূল)শব্দের দুটি অর্থ হতে পারে।১।বস্তু এবং তার নির্ধারিত স্থানের মাঝে বিরাজমান সম্পর্ক।এ পর্যায়ের সম্পর্ক দুটি বস্তুগত পদার্থের মাঝেই সম্ভব।অন্যদিকে আল্লাহর সত্ত্বা কোন বস্তুগত পদার্থের দ্বারা গঠিত নয়,তিনি এর ঊর্ধ্ব। অতএব এ অর্থে বস্তুগত পদার্থে আল্লাহর সত্তার বিদ্যমানতা অসম্ভব।২।পদার্থ ও তার প্রশস্ততার মাঝে বিরাজমান সংক্রমনগত সম্পর্ক।কেননা প্রশস্ততার স্থায়িত্ব পদার্থের সাথে হয়ে থাকে।এটিকে পদার্থে প্রশস্ততার সংক্রমণ বলা হয়।আর সয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত কোন অস্তিত্বের ব্যাপারে এ জাতীয় সংক্রমণ আদৌ কল্পনা করা যায় না।অতএব,মহান আল্লাহ এ জাতীয় কোন সংক্রামক বা সংক্রমিত সত্ত্বা নন।কেননা,যিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যমান,তিনি পরনির্ভরশীলভাবে বিদ্যমান কোন অস্থিত্বে সংক্রমণ করতে পারেন না,এটি আদৌ সম্ভব নয়।
হ্যাঁ! সংক্রমণ তত্ত্বটি শারীরিকভাবে অস্থিত্বশীল বস্তুগুলোর ব্যাপারে তাদের সান্নিধ্যতার পন্থায় কল্পনা করা যেতে পারে।তবে,বাস্তব কথা হলো, এ পক্রিয়ায় যেখানে দু’ব্যক্তির মাঝে সংক্রমণ অসম্ভব,সেখানে বান্দা ও আল্লাহর মাঝে সংক্রমণ তো আদৌ সম্ভব নয়।
শেষ কথা হলো,যে যত বড় সদিক্বীন সলিহীন মুহছিনীন মুছলিমীন সূফী দরবেশ আউলিয়া হোক না কেন যদি কোন প্রকার শিরকি আকীদা ও শরীয়ত বিরোধী কর্ম,আদেশ পাওয়া যায়,অর্থাত্ যার পক্ষে কুরআন হাদীসের একটি দলীলও নেই,তাহলে সে ভন্ড ও প্রত্যেখ্যিত।কে
ননা,ইসলাম ধর্ম কারো মুখের কথায় চলে না, ইসলাম ধর্ম চলে কুরআন হাদীস ও হক্কানী মুজতাহিদের ইজমা কিয়াস দ্বারা।আর আকিদার বিষয় ব্যতীত আমলের ক্ষেত্রে একটি কম জয়ীফ(দুর্বল)হাদীস থাকলেও চলবে।অবশ্য ঐ আমলের বিপক্ষে কোন হাছান হাদীসের নিষেধ থাকতে পারবে না।
ভ্রান্ত শিরকি আকিদা থেকে বাঁচা।উপরোক্ত প্রেক্ষিতে আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে, আল্লাহর সত্ত্বা মানুষের অস্থিত্বে সংক্রমণ পূর্বক মানুষ আল্লাহর সত্ত্বার সাথে সংযুক্ত হওয়া কিংবা মানুষ আল্লাহর সত্ত্বায় বিলীন হয়ে যাওয়া-এ জাতীয় ধারণা থেকে আল্লাহ তা’আলাকে মুক্ত রাখতে হবে।এ মহা বিশ্বজগত্ইন আল্লাহ এবং আল্লাহই এ মহা বিশ্বজগত্, মুহাম্মদ(সঃ)হলেন আল্লাহ অথবা তিনি এ মহা বিশ্বজগত্,অতএব,তাঁরই নির্দেশে এ মহা বিশ্বজগত্ পরিচালিত হয়(নাঊজুবিল্লাহ)। এ জাতীয় ভ্রান্ত শিরকি দৃঢ় বিশ্বাস ও মতামত থেকে মুসলমানদেরকে অকল্পনীয় দূরে থাকতে হবে,যদি নাস্তিক হওয়ার ইচ্ছা না থাকে।আল্লাহ তা’আলা সবাইকে হিদাইয়াত ও হিফাজত করুক।
ইবনে তাইমিয়া বলেন,শায়খ মুহিউদ্দীন ইবনে আরবী ও রাবেয়ার উপরও ষড়যন্তকারীরা ষড়যন্ত করেছে।দেখুন=ইবনে তাইমিয়ার মজমু-আররাসাইল ওয়াল মাসাইল,১:৮০,শারানীঃআল ইয়াকিত ওয়াল জাওয়াহির,১:৯,
আবদুল কাদের ঈসার হকাইকুন আনিত তাসাউফঃপৃষ্টা ৫০৮,শারানীর আততাবাকাতুল কুবরা।
তাসাউফ সম্পর্কে প্রথম আলোচনার সূচনা পক্ষে রায় দেন প্রসিদ্ধ তাবেয়ী ইমাম হাসান বসরী(রহঃ)আবু নাসর আবদুল্লাহ ইবনে আলী তূসী মৃত্যু৩৭৮হিজরি,এর আল লাম-উ,গ্রন্থ।তাজিবী ও ইবনে উজাইবা থেকে আলমুবাহেসুল আসলিয়া গ্রন্থ।আর এই হাসন বসরী(রহঃ)হলেন সূফীগণের যোগ্য উত্তরসূরী ও অন্যতম ইমাম,ইবনে কাসীর(রহঃ)বলেন, উমর ইবনে খত্তাব(রঃ)তাবেয়ী সূফী ইমাম হাসান বসরী(রহঃ)এর জন্য দু’আ করেন।=মুসনাদ আহমাদঃ হাঃনং২৪৩৯।যুহদুস সামানিয়াঃপৃঃ৩৭।ইবনে সাদঃআত-তাবাকাতুল কুবরা,পৃঃ১৭৫।
তাসাউফ ও সূফীবাদ এর সমর্থনে সহীহ দলীল দেখুন=বুখারীঃ১:২,২০।বুখারীঃ১:১৪৫।বুখারীঃ১:২৩।বুখারীঃ২:৯৬৩।মিশকাতঃপৃঃ৩৩,৭০,৭
৫।ইমাম সুয়ূতির আল ইতকানঃ২:১৮৭।
সূফীগণের আত্মশুদ্ধির প্রমাণ।=সুরা ইউসুফঃআঃ৫৩,সুরা আশ শুআরাঃআঃ৮৮-৮৯,সুরা আশ শামসঃআঃ৭-১০,সুরা মুতফফিফীনঃআঃ১৪,
সুরা আ’লাঃআঃ১৪-১৫।সুরা নাযিয়াতঃআঃ৪০-৪১
,সুরা ক্বিয়ামাহঃআঃ২,সুরা আরাফঃআঃ১৭৫-১৭৬,সুরা মায়িদাঃআঃ১১৯।সুরা বাকারাঃআঃ২৬,১২৮।সুরা কাহাফঃআঃ৩৭। বুখারীঃ২:৯৬৩।তিরমিযীঃ২:১৭১।ইবন
ে মাজাহঃপৃঃ২২৩।তাফসীরে মাযহারীঃ৯:৭৫।মা
আলিমুত তানযীলঃ৮:২১০।
বুখারীঃ১:১১৩,৩৭২।মিশকাতঃহাঃনং১৯১,ও পৃঃ৭০।মিরকাতঃ১:২৫৬।আল ইতকানঃ২:১৮৭। কাশফুল মাহযূবঃপৃঃ৩১। আখবারে মক্কা ও আল বুরহানুল মুআয়্যিদ গ্রন্থ। তাবেয়ী সুফিয়ান সওরী(রহঃ)ও আবুল হাশেম সূফী(রহঃ)গণই প্রথম খানকাহ তৈরী করেন।দেখুন=আব্দুর রহমান আসসুলামির তবাকাতুস সূফিয়্যাহঃপৃঃ২৭।আব্দুর রহমান জামীর নাফাখতুল ইনসঃপৃঃ২২,মূল গ্রন্থের পৃঃ১৭৭,অনূঃ।
তরীকত এর সমর্থনে কিছু দলীল=সুরা আলি ইমরানঃআঃ১৬৪,সুরা বাকরাঃআঃ১৫১,সুর
া কাহাফঃআঃ৬৫,সুরা আনকাবূতঃআঃ৬৯।তা
ফসীরে ইবনে কাসীর দ্রষ্টব্য।তাফঃ মাযহারীঃ১:১৪৯। বুখারীঃ১:১২,২৩।
মিশকাতঃপৃঃ৭০,১৯২।টিকাঃ২৯।মিরকা
তঃ১:২৪৩,২৫৬।শায়খ আবু তালেব মক্কীর ক্বুয়্যতুল ক্বুলূব গ্রন্থ।ইমাম সুয়ূতির আল ইতকানঃ২:১৮৭।ইমাম আবুল কাশেম আল কুশাইরীর আররিসালাতুল কুশাইরিয়্যাঃপৃঃ৪৩।ইমাম গাযযালীর আলমুনকিয মিনাদ্দলালঃ৫০-৭৫ ও ইহয়াউল ঊলূমিদ দ্বীনঃ৩:২০-২১।শায়খ যাকারিয়া আনছারীর উক্তি শারহু রিসালাতিল কুশাইরিয়্যাহঃপৃঃ৪৩।শাইখ যারদাক এর ঈকাযুল হিমমঃ১:৮।রদ্দুল মুহতারঃ৩:৩০৩।ইসমাঈল দেহলভীর সীরাতে মুস্তাক্বীম(উর্দূ)পৃঃ১৩।শাহ ওয়ালীউল্লাহ দেহলভীর হাম’আতঃ২:২০,৪৪-৪৬।তাহের আলাউদ্দীন গীলানীর তাযকিরাতুল কাদেরিয়াঃপৃঃ৩৬২
তানকীদ(শরীয়তসিদ্ধ সমালোচনার)যুগ।
তানকীদপূর্ব(শরীয়তসিদ্ধ সমালোচনাপূর্ব)যুগ।এ যুগে তাসাউফ চারটি স্তর পার হয়েছে।১.(তাকওয়া)প্রবল খোদাভীতি ও (যুহদ)দুনিয়াবিম
ুখতার যুগ।২.মুজাহেদা তথা আত্মসাধনা ও অন্তরের গুপ্ত অবস্থার যুগ।৩.যজব ও নিসবতে তাওয়াজ্জুর যুগ।৪.আধ্যাত্মিক চিত্রায়নের যুগ। প্রথম স্তর
রছূল(সঃ),সাহাবায়ে কেরাম এবং তাবেঈনদের যুগ ছিল তাসাউফের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ও পদক্ষেপের প্রথম স্তর।সেই স্তরে খোদভীতি ও দুনিয়াবিমুখতার রঙ ছিলো প্রখর।সেই যুগের সত্যবীর সোনালী মানুষেরা নিজের রুহানী জীবনের সমূহ গুণ ও মর্যাদা এভাবেই অর্জন করতেন এবং আল্লাহ তা’আলার সঙ্গে নৈকট্যের সুসম্পর্ক নিবিড় থেকে নিবিড়তর করতেন।তাঁদেরও অনেকের মাধ্যমে খোদাপ্রেমের তন্ময়তা ও অলৌকিক ঘটনা-অভিজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ ঘটতো।তবে তা ছিলো খুবই কম ও মুষ্টিমেয়।সেই যুগে সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আসহাবে সুফফা(মদিনার মসজিদে শিক্ষা অর্জনরত সত্তরজন সাহাবী)এবং তাবেঈনদের মধ্যে ইমাম হাসান বসরী,ওয়াস করনী,ইমাম জয়নুল আবেদীন,সাঈদ ইবনে মুসাইয়্যিব,তাউসে ইয়ামানী,দাউদ ইবনে দীনার,সুলায়মান তামীমী,আমের ইবনে আবদুল্লাহ তামীমী ও মুহাম্মাদ ইবনে মুকান্দর (আলাইহিমুর রহমাহ)প্রমূখের নাম সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। তাবে তাবেঈনদের যুগে তাসাউফ নিজের অগ্রগতির দ্বিতীয় স্তরে প্রবেশ করে।হিজরী দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শতকে তাসাউফের এই স্তরে হাবীব আজমী,মালেক ইবনে দীনার,ফুদাইল ইবনে আয়ায,আবদুল্লাহ ইবনে মুবারক,ইব্রাহীম ইবনে আদহাম,বিসরুলহাফী,শাইবান রায়ী,জুন্নুন মিসরী,হারেস আলহাসেবী,বায়েজীদ বোস্তামী,সিররী সাকতী,জুনায়েদ বাগদাদী ও সাহল ইবনে আবদুল্লাহ তাসতারী(আলাইহিমুর রহমাহ)প্রমুখের নাম উল্লেখ আছে।দেখুন=শাইখ আব্দুল কাদের জীলানী(রহঃ)এর গুনিয়াতুত ত্বলিবীনঃপৃঃ৯২৭।ফতহুল গাইব।ইমাম গাযযালী(রহঃ)এর আল মুনকিয মিনাদ্দলালাহঃপৃঃ১৫৪।শাইখ আব্দুল ওয়াহহাব শারানী(রহঃ)এর আল আনোয়ারুল কুদসিয়া ফী মা’রিফাতি কাওয়া’ইদিস সূফীয়া গ্রন্থ। ইবনে তাইমিয়ার মজমূআ ফাতাওয়াঃ১০:৪৮৮-৪৮৯।
শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দীস দেহলভী(রহঃ)এর হাম’আতঃ ২:২০।মুজাদ্দীদে আলফে সানী শাইখ আহমাদ সারহিন্দী(রহঃ)এর মাকতুবাতে ইমাম রব্বানীঃপৃঃ২,মাকতুব নং৬।
ইবনে তাইমিয়া বলেনঃ আল্লাহ তা’আলার এমন কিছু ওলী বান্দা আছে,যাঁদেরকে আল্লাহ তা’আলা (কারামত)অলৌকিক ঘটনাবলী প্রকাশ করার সামর্থ দিয়েছেন।দেখুন=ফতোয়া ইবনে তাইমিয়া ১০ও১১খঃ,অধঃ১৭
কাশফ(তথা স্বর্গীয় প্রেরণার কারণে অদৃশ্যজগতের কোন কিছু উন্মোচিত হওয়া)।ভিজদান(তথা আল্লাহপ্রদত্ত অন্তর্জগতের বিশেষ ভাবানুভূতি) এসব বিষয়ে শাইখ আবদুল কাদের জীলানী(রহঃ)বলেন
তুমি যদি হৃদয়ের সবটুকু ভালবাসা দিয়ে আল্লাহকে খোঁজ,তাহলে আল্লাহ তোমাকে এমন এক আয়না দান করবেন যাতে তুমি দুনিয়া-আখিরাত উভয় জগতের বিস্ময়কর বস্তুসমূহ স্বচক্ষে দেখতে পাবে।দেখুন=শায়খ আব্দুল কাদের জীলানী(রহঃ)এর গুনিয়াতুত তলিবীনঃপৃঃ৯২৭।
হাদীসে কুদসির আলোকে বেলায়তে মর্ম দেখুন=বেলায়ত অর্থ আল্লাহর রঙে রাঙিয়ে যাওয়া,-নফল ইবাদতের মাধ্যমে আমার বান্দ আমার এতো নিকটতম হতে থাকে যে,আমি তাকে ভালবাসতে শুরু করি।তখন আমি তার শোনার কান,দেখার চোখ,কাজের হাত,চলার কদম বা শক্তি হয়ে যাই।তখন আমি তার যে কোন বাসনাই পূরণ করি এবং সে আমার কাছে আশ্রয় চাইলে আমি তাকে নিশ্চিতভাবে আশ্রয় দিই।= বুখারীঃ২:৯৬৩।বুখারীঃকিতাবুর রিকাক,বাবুত তাওয়াযু,হাঃনং ৬৫২০। সুরা আনফালঃআঃ১৭।
সুরা ফাতিরঃআঃ৩২।
শায়খ আবদুল কাদের জীলানী(রহঃ)এর সিররুল আসরার ফীমা ইয়াহতাজু ইলাইহিল আবরার।ইবনে তাইমিয়ার মজমূউল ফাতাওয়াঃ১১:৪৯৪,
৫৮৫-৫৯৫,৬০৪।
সূফীবাদীগণ রাতে নামায আদায়কারী দিনে অশ্বারোহী=ইবনে কাস
ইবনে কাসীর(রহঃ)এর আল বিদায়া ওয়ান নিহায়াঃ১০:১৪৫।ইবনে আসাকিরঃতাহযীবু তারিখি দামিস্কঃ২:১৭৯।হিলআতুল আওলিয়াঃ৭:৩৮৮। খতীব বাগদাদীর তারীখে বাগদাদ ,১০:১৫৭।তাহযীবুত তাহযীবঃ৩:২৪৭।
ক্রুসেড যুদ্ধের সময় সূফী ও পীরদের ভুমিকা অবদান
দেখুন=ইবনে কাসীর আল বিদায়া অন নিহায়াঃ১২:২৬৩।ইবনুল আসীরের আল কাওয়াকিবুদ দিরায়া ফীসসীরাতিন নববীয়্যাঃপৃঃ৩৮।ইমাম যাহাবীর আলআবরুঃ৪:২৪৩।মিরআতুযযামানঃ১:৩১০।
ইসলামের দৃষ্টিতে সূফীদের দৃষ্টিভঙ্গি।=সুরা আল গফিরঃআঃ৫১।ইবনে খল্লিখানঃওয়াফিয়াতুল আয়ান,৭:১৭৯।ইবনুল কায়্যিমঃকিতাবুর রূহ ও হাদীল আরওয়া।
সূফীবাদীগণকে কেন আস-সূফিয়া বলা হয়।দেখুন=ইবনে তাইমিয়ার ফতোয়া আল কুবরাঃখঃ১১,অধঃ১৭।ও আসসূফিয়াতু অলফুক্বরা গ্রন্থে ১৯২৫সালের মানার সংস্করণের১৪নং পৃষ্টা।শরহে মোল্লা আলী কারীঃখঃ৫,পৃঃ৪০৮। ইবনে তাইমিয়ার মজমূ’আ আররছায়িল ওয়াল মাছায়িলঃ১:৮০।
সূফীবাদ ও তাসাউফ এবং হক(পীর)মুরশিদগণের সমর্থনে যুগশ্রেষ্ঠ মুফাসসীর মুহাদ্দীস ও লা মাযহাবী শাইখদের সনদ।দেখুন=ইমাম আযম আবু হানীফা(রহঃ মৃঃ১৫০হি) এর সনদ।=ইবনে আবেদীন আদ্দুররুলমুখতারঃ১:৪৭৩।ইমাম মালেক(রহঃ মৃঃ১৭৯হি)এর সনদ।=কাযী আয়ায আশশিফা বি তারীফি হুকুকিলমুস্তফা গ্রন্থ।
আইনুল ইলম যায়নুল হিলমঃখঃ১,পৃঃ২৩।শরহুল ইমাম আবিল হাসানঃখঃ২,পৃঃ১৯৫।ইমাম শাফেয়ী(রহঃ মৃঃ২০৪হি)এর সনদ।=আজলূনীর কাশফুল খিফা ওয়া মুযীলুল ইলবাস ফী মাশতাহারা মিনাল আহাদীসি আলা আলসিনাতিননাসঃখঃ১,পৃঃ৩৪।ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল(রহঃ মৃঃ২৪১হি)এর সনদ।=শায়খ মুহাম্মাদ রাগেব তব্বাখ’রহঃ(মৃঃ১
৩৭হিঃ)এরআসসাকাফাতুল ইসলামিয়া গ্রন্থ।আবদুল কাহের বাগদাদী(রহঃ মৃঃ৪২৯হি)এর আলফারাক বায়নাল ফুরুকঃপৃঃ১৮৯। আল্লামা মুহাম্মদ সাফারীনী গিযাউল আলবাব শরহু মুনাযযামাতুল আদাবঃখঃ১,পৃঃ১২০।প্রসিদ্ধ মুফাসসির ফখরুদ্দীন রাযী(রহঃ মৃঃ৬০৬হিঃ)এর সনদ।তাঁর ই’তিকাদ ফুরুকিল মুসলিমীনা ওয়াল মুশরিকীনঃখঃ২,অধঃ৮।আল্লামা ইযযুদ্দীন ইবনে আবদুস সালাম(রহঃ মৃঃ৬৬০হি)এর সনদ।শায়খ হামেদ সকর এর নূরুত তাহকীকঃপৃঃ৯৬।উসূলের আলেম শায়খ তাজুদ্দীন সাবাকী(রহঃ মৃঃ৭১৭হি)এর সনদ।তাঁর মুফীযুল মুন’ইম ওয়া মুবীদুন নাকামঃপৃঃ১৯৯।ইমাম জালালুদ্দীন সুয়ূতী(রহঃ মৃঃ৯১১হি)এর সনদ।তাঁর তায়ীদুল হাকীকা আল ইল্লিয়াঃপৃঃ৫৭।
রিয়াযুস সলিহীন গ্রন্থের লেখক ও সহীহ মুসলিমের ব্যাখ্যাকার আল্লামা ইমাম নববী(রহঃ মৃঃ৬৭৬হি)এর সনদ।তাঁর রচিত আল মাকাসিদু ফীত তাওহীদ ওয়াল ইবাদা ওয়া উসূলিত তাসাউফঃপৃঃ২০।
শায়খ ইব্রাহীম ইউসুফ রচিত আস সূফীয়াতু ওয়াস সালাফিয়্যাহ গ্রন্থ।মিসরের শরীয়া পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা শায়খ মাহমূদ কত্তাবী সাবাকীর আল আহদুল ওয়াসিক লিমান আরাদা সুলূকা আহছানি তারিকঃপৃঃ৩০।সোহরাওয়ার্দী রচিত আওয়ারিফুল মারিফ গ্রন্থ।আবুল হাসান আলী নদভীর আল মুসলিমূনা ফিল হিন্দঃপৃঃ১৪০।ও তাঁর রাওয়ায়ে ইকবালঃপৃঃ৭।আমীর শাকিব আরসান এর হাযিরুল আলম আল ইসলামীঃখঃ২,পৃঃ৩৯৩।শায়খ মুহাম্মাদ আবদুহু এর সনদ।শায়খ আলী মাহফূয এর আল ইবদা ফী মাযারীল ইবতিদা গ্রন্থ|
লা মাযহাবী সালাফী ইমাম শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে ওয়াহহাব, ইবনে তাইমিয়া,ইবনে কায়্যিম,ইবনে রজব,ইবনে কাসীর ও হাফেজ যাহাবী(রহিঃ)গণ সূফীবাদ ও পীর=মুরশিদগণকে সনদ দিয়েছেন।দেখুন=শায়খ আব্দুল হাফীয মক্কী যিনি মক্কা মুকাররমার একজন আলেম তাঁর রচিত মাওকিফু আয়িম্মাতিল হারকাতিস সালাফিয়্যা মিনাত তাসাউফ ওয়াস সূফিয়া গ্রন্থ| ইবনে রজব এর আয যায়ল আলা তবকাতি হানাবিলাঃখঃ২,পৃ
ঃ৪৪৮।ও খঃ১,পৃঃ২১১|
ইবনুল কাইয়িম এর মাদারিজুস সালিকীনঃখঃ২,পৃঃ৩০৭,৩৬৬।ও খঃ৩,পৃঃ১২৮। ইমাম যাহাবীর তাযকিরাতুল হুফফাযঃখঃ৩,পৃঃ৮
৫২,৯৬১,১৩৫৬,১০৭০,১০৮৮,১০৯২|
শায়খ মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল ওয়াহহাব নজদীর ফতোয়া ও রাসায়িলঃপৃঃ৩১,১২৪|
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবিরদের দলের প্রবর্তক ও তাদের মুজাদ্দিদ এবং তাফহীমুল কুরআন এর লেখক আবুল আ’লা মওদূদী বলেন,খালেস ইসলামী তাসাউফ শরীয়ত থেকে ভিন্ন কোন বিষয় নয়। বিশুদ্ধ তাসাউফ ও সূফীবাদ হলো সর্বোচ্চ ইখলাস,সচ্ছ নিয়্যত ও পরিচ্ছন্ন কলবের ভিত্তিতে শরীয়তের বিধানকে প্রতিষ্ঠা করা।আবুল আ’লা মওদূদী সূফীদের একাকিত্ব অবলম্বন নিয়ে কোন অপবাদ দেননি।দেখুন তাঁর রচিত মুবাদিউল ইসলাম নামক গ্রন্থ,পৃষ্টা ১১৪|
ইমাম শা’রানী বলেন,হিংসুক ও শত্রুদের উপর আমাকে আল্লাহ তা’আলা ধৈর্য ধারণ করার ক্ষমতা দিয়েছেন|তাঁরা আমার গ্রন্থগুলোতে শরীয়ত বিরোধী কথা ঢুকিয়ে দিয়েছে|দেখুন=তা
ঁর রচিত লাতাইফুল মিনান ওয়াল আখলাক গ্রন্থ|ইতিহাসবেত্তা আবদুল হাই ইবনে ইমাদ এর রচিত শাজারতুল যাহবঃ৮:৩৭৮|
শেষ কথা হলো নবীগণ(আঃ) ছাড় প্রত্যেক মুসলমান এর মধ্যে ভুল ত্রুটি আছে,কেহ নিজেকে নিশ্পাপ বলতে পারবে না,কেহ ভুলের মধ্যে থাকলে তাদেরকে কুরআন হাদীসের দাওয়াত দিয়ে সংশোধন করতে হবে।জবাই করে হত্যা করে নয়।নবী(সঃ)মুসলমানকে কষ্ট দিতে নিষেধ করেছেন,হত্যা তো প্রশ্নই আসেনা। আল্লাহকে ভয় করুন। রছূলের আদর্শ গ্রহণ করুন।আল্লাহ তা’আলাই উত্তম জানেন।
ইবনে তাইমিয়ার আল ফতোয়া আলকুবরাঃখন্ড১০,
পৃষ্টা২১৮তে সূফীদের ফানা ফিল্লাহ শব্দের সঠিক ব্যাখ্যা করেছেন।ইবনে তাইমিয়া বলেন,ফানা হওয়া ৩প্রকার,১কামেল আম্বিয়া ও আউলিয়াদের জন্য।২কাসেদ আউলিয়া ও সলিহীনদের জন্য।৩মুনাফিক নাস্তিক মুশাব্বিহদের জন্য।ফানা১.এটি হলো আল্লাহ ছাড়া আর কারো ইচ্ছা না করা অর্থাত্ সে একমাত্র আল্লাহকেই ভালোবাসে,ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্যই করে এবং আল্লাহর উপরই ভরসা রাখে।অন্য কাউকে খুঁজে না।এর অর্থটি মূলত আবু ইয়াযিদ বোস্তামী যেটি বলেছেন,সেটিকেই বুঝায়।তিনি বলেনঃ আমি যখন চিন্তা করি,তখন আমি যা চিন্তা করি তা হয়না।আল্লাহ যা চান তাই হবে।ফানা ২.এটি হলো সোজা রাস্তাকে দেখতে ফানা হয়ে যাওয়া।আল্লাহর যিকির,ইবাদত,মুহাব্বত ও আল্লাহকে দেখতে আন্তরিক দুর্বলতা সৃষ্টি হয়।তখন সে আল্লাহকে ছাড়া আর কাউকে দেখেনা।আল্লাহ ছাড়া আর কারো কথা মনে পড়ে না।ফানা ৩.এটিকে নাম হিসেবে ফানা রাখা হয়েছে।এটি প্রত্যক্ষ করা যে,আল্লাহ ছাড়া কোন কিছু মওজুদ নেই।খালেক মওজুদ থাকার অর্থ হলো,মাখলুকও মওজুদ আছে।রব এবং মানুষের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।এটি হলো নাস্তিক এবং ভ্রষ্টদের ফানা।ইবনে তাইমিয়া এভাবেই ফানা ফিল্লাহর ব্যাখ্যা করেছেন।
বারভী শরীফ,গিয়ারভী শরীফ,বা খতমে গাউসিয়া কি? ১.বারভী শরীফ হল রহমাতাল্লিল ‘আলামীন রছূল কারীম (সঃ)এর ওফাত দিবস রবিউল আওয়ালের ১২তারীখ ইছালে সওয়াবের নিয়্যতে কুরআন হাদীস পাঠ,যিকির আযকার,নবী(সঃ)সীরাত বর্ণনা,দরূদ পাঠ,ও সাধ্যমত ইয়াতিম মিছকিন ও মুসলিমদের আহার করা।বারভী নামকরণের কারণ উর্দুতে ১২কে বারভী বলে,আর এশিয়াতে উর্দুর প্রচলন বেশী বলে তাই বারভী শরীফ বলা হয়।
২.তবে তাবেয়ীনদের পর থেকে সমস্ত অল্লাহর ওলীদের সরদার শায়খ মুহাম্মাদ আবদুল কাদের জীলানী(রহঃ)এর ওফাত দিবস রবিউল আখির এর ১১তারিখ ইছালে সওয়াব এর নিয়্যতে কুরআন হাদীস পাঠ,যিকির আযকার,দরূদ পাঠ,ওলীদের কসীদা শাজরা পাঠ,সাধ্যমত ইয়াতিম,মিছকীন,ও মুসলিমদের আহার করা।
উর্দুতে ১১কে গিয়ারভী বলে,তাই গিয়ারভী শরীফ বলা হয়।উল্লেখ্য যে,শায়খ আবদুল কাদের জিলানী(রহঃ)প্রতি চন্দ্র মাসের একাদশ তারীখে রছূল করীম(সঃ)এর ইছালে সওয়াবের নিয়্যতে বারভী শরীফ পালন করতেন।ঠিক শায়খ আবদুল কাদের জিলানী(রহঃ)এর ওফাতের পর থেকে শায়খ এর আওলাদ ও ভক্তগণ এবং যুগশ্রেষ্ঠ আলেম উলামাগণ বারভী ও গিয়ারভী শরীফ পালণ করে আসছে অদ্যবদি পর্যন্ত।যেমন আল্লামা ইব্রাহীম দাউরবী(রহঃ)লিখেন যে, লা মাযহাবীদের গুরু ইবনে তাইমিয়া পর্যন্ত শায়খ আবদুল কাদের এর রূপক উপাদি গাউসিয়া লঙ্গর খানার জন্য প্রতি বছর রবিউল আউয়াল এর শেষের দিকে ত্রিশটি উঠ সিরিয়া থেকে বাগদাদে পাঠাতেন।শুধুমাত্র গিয়ারভী শরীফে আসা মানুষের আহারের জন্য,ইবনে তাইমিয়া কি শিরক বিদ’আত বুঝতেন না? বিশিষ্ট আহলে হাদীস আলেম মুজহির জানেজানা বলেছেন গিয়ারভী শরীফে নাকি আলী(রঃ)ও ওয়াইস করণী(রঃ)আসেন। গিয়ারভী শরীফ যে ঘরে উদযাপিত হয় তার চারিদিকে নূরের বৃষ্টি বর্ষিত হয়।আমরা কিন্তু এত বলিনা আমরা শুধু বলি যে,গিয়ারভী শরীফ পড়লে সওয়াব পৌছবে শায়খের কবরে আর পুণ্য হবে আমাদের আমলে ইনশা-আল্লাহ।দেখ
ুন=ইবনুল কায়্যিমের আররূহঃ পৃঃ১৬০।আহলে হাদীস মাকতাবে ফিকর এর মৌলভী আবু ইয়াহইয়া ইমাম খান শহরভীর হিন্দুস্তান কে আহলে হাদীস কি ইলমি খিদমাত গ্রন্থ, পৃষ্টা১৬।মির্জা মুজহির জানেজানার মালফুজাত গ্রন্থ গুলো।
শাহ ওয়ালিউল্লাহ মুহাদঃ দেহলভীর কালিমাতুত ত্বয়্যিবাত গ্রন্থ ফার্সী,পৃষ্টা৭৭-৭৮।শাহ আবদুল আযীয মুহাদঃ দেহলভীর মালফুজাতে আযীযী,ফার্সী, পৃষ্টা ২২।মিরঠ থেকে প্রকাশিত।আযীযুল কুরাতঃফার্সী,পৃষ্টা৮২। ফতোয়ায়ে আযীযীঃফার্সী,খঃ১,পৃঃ৭৪-৭৫,এবং উর্দু ,পৃঃ১৬৬,করাচি প্রকঃ
ত্রাণ পেল ইসলামপুর গুচ্ছগ্রাম
১৩নং ইসলামপুর ইউনিয়নের গুচ্ছগ্রামে দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।
এইসময় উপস্থিত ছিলেন রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মাসুদুর রহমান রাঙ্গুনিয়া থানার অফিসার ইনসার্জ মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন চৌধুরী মিল্টন, ইসলামপুর আওয়ামীলিগের সভাপতি জনাব, মো. সিরাজ উদ্দিন চৌধুরী এবং ইসলামপুর পরিষদের ইউপি সদস্যবৃন্দ
রাঙ্গুনিয়ায় আতঙ্কের ভিড়ে সজাগ মদের ব্যবসা
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া শান্তির হাট বাজারে একটি সিএনজি ইঞ্জিলের সাথে অভিনব কায়দায় মদ বহনের সময় ইউপি সদস্য আবু তাহের মেম্বার ও পোমরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহযোগিতায় জব্দ করে এই মদের গাড়ি।
রাঙ্গুনিয়ায় দুই হাজার কর্মহীন দুস্থ পরিবার পেল চাল-ডাল
রাঙ্গুনিয়ায় করোনাভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া দুস্থ ব্যক্তিদের কাছে সরকারিভাবে চাল-ডাল বিতরণ করা হয়েছে।
আজ শনিবার (২৮ মার্চ) দিনব্যাপী উপজেলার ১৫ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে এসব চাল পৌঁছে দেয়া হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, “ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভায় মনিটরিং কমকর্তারা ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সাথে সমন্বয় করে এসব চাল-ডাল বিতরণ করেন। স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে প্রতিটি বাড়ি বাড়ি গিয়ে দুই হাজার পরিবারকে এসব সামগ্রী দুস্থ পরিবারকে তুলে দেয়া হয়। প্রতি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ৫০০ কেজি চাল ও ৫০ কেজি করে ডাল প্রাথমিকভাবে দেয়া হয়। সরকারি সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ”
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতনতায় রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ
রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে করোনাভাইরাস সচেতনতায় প্রচারণা চালাচ্ছেন রাঙ্গুনিয়া থানা-পুলিশ। আজ শনিবার উপজেলার লালানগর, রাজানগর ও স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে পুলিশ বিরামহীন কাজ চালাচ্ছেন। পুলিশ বিদেশফেরত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খুঁজছে। বিদেশফেরত ব্যক্তিদের থানায় তথ্য দিতে স্থানীয় টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বিদেশফেরত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখতে কাজ করছি
রাঙ্গুনিয়ায় কর্মহীন দুই শতাধিক পরিবার পেল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস
করোনাভাইরাসের প্রভাবে কর্মহীন হয়ে পড়া রাঙ্গুনিয়ার মরিয়মনগর ইউনিয়নের শ্রমজীবী দুস্থ মানুষকে জরুরী নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডে এসব সামগ্রী প্রদান করেন ওয়েল হোল্ডিংস লিমিটেডের পরিচালক ওসমান গনি। সহযোগিতা করেন এক নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. ইসমাইল। আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে তিনি দুই শতাধিক অতি দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, তেল, আলু, লবণ, সাবানসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র তুলে দিয়েছেন। এছাড়া এই ওয়ার্ডে ৫ শতটি মাস্ক বিতরণ করেন। করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন পড়া দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য বিত্তবানদের প্রতি আহবান জানানওয়েল হোল্ডিংস লিমিটেডের পরিচালক ওসমান গনি।
পবিত্র শবে বরাতের পক্ষে শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানীর দেওয়া সহিহ দলিল
মাওলানা মুহাম্মদ ইব্রাহীম, রাঙ্গুনিয়া।
শবে বরাত শব্দটি ফার্সী ভাষা,হাদীসের ভাষায় শবে বরাতকে বলা হয় নিসফু মিন শা’বান অর্থাৎ শা’বান মাসের পনের তারিখের রাত, এই রাতের ফজিলত সহিহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত আলহামদুলিল্লাহ, সঙ্কেপে হাদীস নাম্বারগুলো দিচ্ছি, ইবনে মাজাহ,বাবু মা-জাআ ফি লাইলাতিন নিসফি..১/৪৪৫, আহলে হাদীসদের পীর আলবানীর সিলসিলা সহীহা হাদীস নং ১১৪৪। মুসনাদে আহমাদ,২/১৭৬,মুসনাদ আহমদের ভাষ্যকার আহমদ শাকির বলেন সহিহ, আল্লামা হায়সুমীর মাজমাঊল যাওয়াইদ ৮/১২৬।সহিহ ইবনে হিববান,বাবু মা-জাআ ফিত তাবাগত,২৩/৩৩৫,নাসিরুদ্দীন আলবানীর আততারগীব ওয়াত তারহীব।ইমাম তাবরানীর মুজামুল কাবীর,১৬/৯৩, আলবানীর সহীহ জামিতে হাদীস নং৭৭১।তিরমিযী,৩/১৯৩,ইবনে আবি শাইবা,মুসন্নাহ,৬/১০৮,ইবনে খুযাইমা,তাওহীদ,৯০।আলবানীর সিলসিলাতুল আহাদীসি সহীহা ৩/
১১৪৪(৬)বায়হাকীর শুআবুল ঈমান,৩/
৩৮০,হাদীস নং৩৮৩৯। সূরা দুখন, আয়াত ১-৪।তাফসীরে ইবনে আব্বাস ও ইবনে কাসীর ১২খন্ড/
৩৩৪-৩৩৫পৃ:,দ্রষ্টব্য,তাফসীরে সালাবী,কাশশাফ,কুরতুবী,কাবীর মাফাতিহুল গইব। আহলে হাদীসের ইমাম গণ ও শবে বরাত (প্রকাশ নাম)পালন করতেন, ইমাম আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ বিন ইসহাক বিন আব্বাস আল ফাকিহী আল মাক্কীর বিখ্যাত কিতাব আখবার মক্কা ৩/৮৪পৃ। ইবনে তাইমিয়ার মাজমু আল-ফতোয়া কুবরা ২/২৬২,মাসআলা নং১৩৭/২২২। ইবনে তাইমিয়ার ইক্বতিদাউস সিরতল মুছতাক্বীম,৬৩২পৃ।ইমাম নববীর কিতাবুল মাজমূ শরহে মুহাজ্জাব।ইমাম আওজায়ীর লাতাইফুল মাআরিফ।আল্লামা আবদুর রহমান মোবারকপুরীর তুহফাতুল আহওয়াযী শরহে তিরমিযী,৩/৩৬৫।
মাস্ক’র দাম নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ আহত ১
জাহেদ হাছান তালুকদার,রাঙ্গুনিয়া।
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের মালিরহাট বাজারে মাক্স’র দাম নিয়ে কথা কাটাকাটি এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে আহত ১।
আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পোমরা ইউনিয়নের মালিরহাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহত দোকানদারের নাম মুহাম্মাদ ওসমান (৩১)। তাজুল ইসলামের ছেলে মুহাম্মদ ওসমান। ওসমান মালিরহাটের ঔষধের দোকানের ব্যবসা করেন। মাস্কের দাম কমবেশি নিয়ে একই বাজারের অপর স্টেশনারী দোকানদারের সাথে কথা কাটাকাটি চলতে থাকে এক পর্যায়ে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ওসমান গুরুতর আহত হয়। ওসমানকে প্রথমে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয় সেখান থেকে তাকে গুরুতর অবস্থায় কারণে বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। পরিবারের সূত্রে জানা যায় এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছে।
স্থানীয় দোকানদার থেকে জানা যায়—৫০টাকা দামে মাস্ক বিক্রি করছিলেন স্টেশনারী দোকানদার মো. সুমন। কিন্তু পাশের ঔষধের দোকানদার ওসমান একই মাস্ক বিক্রি করছিলেন ৩০টাকা দামে। এই নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি চলছিল। একপর্যায়ে সুমন ও তার ভাই সুজন ওসমানের দোকানের মধ্যে গিয়ে সংঘর্ষ বাধিয়ে ফেলে। সংঘর্ষে গুরুতর আহত হয় ব্যবসায়ী ওসমান।
রাঙ্গুনিয়ায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে অভিযান
রাঙ্গুনিয়ায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ অভিযান চালিয়েছেন। আজ শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চন্দ্রঘোনা, সরফভাটা,বেতাগী, মরিয়মনগর এলাকায় অভিযান চালানো হয়। লোকজনের গন জমায়েত যাতে না হয় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ অভিযান চালান। অভিযানে ছিলেন ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান, সহকারি পুলিশ সুপার(রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) আবুল কালাম আজাদ, রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
ইউএনও মো. মাসুদুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার মোকাবেলায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে অভিযান চালানো হয়। এই অভিযান প্রতিদিন চলবে। সেনা বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে। সরকারি নির্দেশ অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “ বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি পুলিশ যাচ্ছে। হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে তাঁদের বাড়িতে লাল পতাকা ও ষ্টীকার লাগানো হচ্ছে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে